জাতীয়
দেশের পাঁচ অঞ্চলে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল আগামী অক্টোবর মাসে একসঙ্গে চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব হাসপাতালে শিশুদের উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি নিবিড় পরিচর্যার ব্যবস্থাও থাকবে।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘সুস্থ আগামী’ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। হাসপাতালগুলোতে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত চিকিৎসা এবং নিবিড় পরিচর্যা সেবা থাকবে।
শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের কাজও চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালাতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে আসার প্রয়োজন কমাতেও সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত চিকিৎসার সুযোগ কেবল শহরকেন্দ্রিক হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ হবে না। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে হবে।
অর্থের অভাবে যেন কেউ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে না হয়—এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
বিষয় : ২০০ শয্যার শিশু হাস্পাতাল ৫ বিভাগ
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
দেশের পাঁচ অঞ্চলে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল আগামী অক্টোবর মাসে একসঙ্গে চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব হাসপাতালে শিশুদের উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি নিবিড় পরিচর্যার ব্যবস্থাও থাকবে।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘সুস্থ আগামী’ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। হাসপাতালগুলোতে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত চিকিৎসা এবং নিবিড় পরিচর্যা সেবা থাকবে।
শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের কাজও চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালাতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে আসার প্রয়োজন কমাতেও সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত চিকিৎসার সুযোগ কেবল শহরকেন্দ্রিক হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ হবে না। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে হবে।
অর্থের অভাবে যেন কেউ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে না হয়—এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
2.png)