লোকাল ফোকাসলোকাল ফোকাস

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৯ জনের

শুক্রবার সকালে ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাতজন। পরে হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়; চিকিৎসাধীন ১৩ জনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৯ জনের
ছবি -সংগৃহীত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার সকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

সকাল ১১টার দিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নগরীর মহাজনপট্টির দোকান কর্মচারী ও সোবহানীঘাট এলাকার বাসিন্দা সপ্তম রায় প্রীতম (২৫)। এর আগে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় শিশু জাইফা।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে আরও তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাজী সাইফুল ইসলাম, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের শিশু কন্যা জাইফা এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চন্ডিবের বাসিন্দা বাবুল মিয়ার মেয়ে পেহেলী ভৈরবী (১৭)।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় আহত ১৩ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহতদের একজন সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবরক্ষক আতিকুল ইসলাম ফেরদৌস।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্য আহতদের মধ্যে রয়েছেন কিশোরগঞ্জের বাবুল মিয়া, মাধবদীর মনসুর আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মফিজ মিয়া, নগরীর মহাজনপট্টির দোকান কর্মচারী মন্টু চন্দ্র পাল, কিশোরগঞ্জের ফারুক মিয়া, সুনামগঞ্জের নুরুন্নাহার, কুমিল্লার ইমরান আহমদ, সুনামগঞ্জের রাজু দাস, সাজিদ নুর, মুক্তার হোসেন, আফজল ও আফরোজা।

শুক্রবার সকালে ওসমানীনগর এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বেঙ্গল পরিবহনের বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী হতাহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

প্রথমে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু জাইফা ও সপ্তম রায় প্রীতম মারা যান। এতে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে।

বিষয় : বাস দুর্ঘটনা বাস দুর্ঘটনা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নিহত আহত

কাল মহাকাল

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৯ জনের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার সকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

সকাল ১১টার দিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নগরীর মহাজনপট্টির দোকান কর্মচারী ও সোবহানীঘাট এলাকার বাসিন্দা সপ্তম রায় প্রীতম (২৫)। এর আগে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় শিশু জাইফা।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে আরও তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাজী সাইফুল ইসলাম, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের শিশু কন্যা জাইফা এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চন্ডিবের বাসিন্দা বাবুল মিয়ার মেয়ে পেহেলী ভৈরবী (১৭)।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় আহত ১৩ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহতদের একজন সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবরক্ষক আতিকুল ইসলাম ফেরদৌস।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্য আহতদের মধ্যে রয়েছেন কিশোরগঞ্জের বাবুল মিয়া, মাধবদীর মনসুর আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মফিজ মিয়া, নগরীর মহাজনপট্টির দোকান কর্মচারী মন্টু চন্দ্র পাল, কিশোরগঞ্জের ফারুক মিয়া, সুনামগঞ্জের নুরুন্নাহার, কুমিল্লার ইমরান আহমদ, সুনামগঞ্জের রাজু দাস, সাজিদ নুর, মুক্তার হোসেন, আফজল ও আফরোজা।

শুক্রবার সকালে ওসমানীনগর এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বেঙ্গল পরিবহনের বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী হতাহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

প্রথমে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু জাইফা ও সপ্তম রায় প্রীতম মারা যান। এতে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 

কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত