আইন-কানুন
র্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের পর এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) পরিদর্শনে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ শনিবার এ পরিদর্শন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারক ও প্রসিকিউশন দলের সদস্যরা জেআইসি পরিদর্শনে যাবেন। দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
পরিদর্শনে প্রসিকিউশন দলের পক্ষ থেকে থাকবেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী ও তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যরা। এ ছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীদেরও পরিদর্শনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত, পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ও প্রসিকিউটররা। সেখানে তাঁরা ছোট-বড় ২৯টি কক্ষ ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে সাতটি ডেথ সেলও পরিদর্শন করেন। এসব সেলে বন্দিদের আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কেও তাঁরা ধারণা নেন।
এর আগে ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব, ডিজিএফআই ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাইব্যুনাল-১। ওই দিনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী মতাদর্শের বিভিন্ন ব্যক্তিকে এসব স্থানে তুলে নিয়ে আটকে রাখা, নির্যাতন এবং গুম করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পর্যালোচনার গুরুত্ব রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় র্যাবের পর এবার ডিজিএফআইয়ের জেআইসি পরিদর্শনে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। সংশ্লিষ্ট স্থাপনা, কক্ষ ও অন্যান্য পরিবেশ সরেজমিনে দেখা বিচারিক কার্যক্রমে অভিযোগগুলোর বাস্তব প্রেক্ষাপট বুঝতে সহায়ক হবে।
2.png)
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
র্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের পর এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) পরিদর্শনে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ শনিবার এ পরিদর্শন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারক ও প্রসিকিউশন দলের সদস্যরা জেআইসি পরিদর্শনে যাবেন। দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
পরিদর্শনে প্রসিকিউশন দলের পক্ষ থেকে থাকবেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী ও তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যরা। এ ছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীদেরও পরিদর্শনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত, পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ও প্রসিকিউটররা। সেখানে তাঁরা ছোট-বড় ২৯টি কক্ষ ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে সাতটি ডেথ সেলও পরিদর্শন করেন। এসব সেলে বন্দিদের আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কেও তাঁরা ধারণা নেন।
এর আগে ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব, ডিজিএফআই ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাইব্যুনাল-১। ওই দিনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী মতাদর্শের বিভিন্ন ব্যক্তিকে এসব স্থানে তুলে নিয়ে আটকে রাখা, নির্যাতন এবং গুম করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পর্যালোচনার গুরুত্ব রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় র্যাবের পর এবার ডিজিএফআইয়ের জেআইসি পরিদর্শনে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। সংশ্লিষ্ট স্থাপনা, কক্ষ ও অন্যান্য পরিবেশ সরেজমিনে দেখা বিচারিক কার্যক্রমে অভিযোগগুলোর বাস্তব প্রেক্ষাপট বুঝতে সহায়ক হবে।
2.png)