আইন-কানুন
বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলী নিখোঁজের ঘটনায় এক যুগের বেশি সময় পর নতুন মোড় এসেছে। এ ঘটনায় বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় চলমান তদন্তের মধ্যেই তাঁর নাম সামনে আসে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েস এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইলিয়াস আলীকে অপহরণের সময় পরিচালিত অভিযানে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানও যুক্ত ছিলেন।
ওই সাক্ষ্যের পর ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনাটি আলাদাভাবে তদন্তের বিষয়টি সামনে আসে। চিফ প্রসিকিউটরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে ঘটনাটি পৃথক মামলা হিসেবে তদন্ত করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাইফুর রহমানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলী ২০১২ সালে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের কোনো সন্ধান মেলেনি। ঘটনাটি তখন দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং বিএনপির পক্ষ থেকে এটিকে পরিকল্পিত গুম হিসেবে অভিযোগ করা হয়।
নতুন তদন্তে শুধু সাইফুর রহমানের ভূমিকা নয়, আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আওতায় রয়েছেন সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান।
তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটির সঙ্গে কারা কীভাবে যুক্ত ছিলেন, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইলিয়াস আলীকে তুলে নেওয়ার সময়কার অভিযানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও আনসার আলীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় তাঁদের পরিবারের অপেক্ষাও শেষ হয়নি। নতুন করে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ায় তাঁদের সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে আবারও আশার সৃষ্টি হয়েছে।
2.png)
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলী নিখোঁজের ঘটনায় এক যুগের বেশি সময় পর নতুন মোড় এসেছে। এ ঘটনায় বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় চলমান তদন্তের মধ্যেই তাঁর নাম সামনে আসে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েস এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইলিয়াস আলীকে অপহরণের সময় পরিচালিত অভিযানে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানও যুক্ত ছিলেন।
ওই সাক্ষ্যের পর ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনাটি আলাদাভাবে তদন্তের বিষয়টি সামনে আসে। চিফ প্রসিকিউটরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে ঘটনাটি পৃথক মামলা হিসেবে তদন্ত করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাইফুর রহমানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলী ২০১২ সালে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের কোনো সন্ধান মেলেনি। ঘটনাটি তখন দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং বিএনপির পক্ষ থেকে এটিকে পরিকল্পিত গুম হিসেবে অভিযোগ করা হয়।
নতুন তদন্তে শুধু সাইফুর রহমানের ভূমিকা নয়, আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আওতায় রয়েছেন সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান।
তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটির সঙ্গে কারা কীভাবে যুক্ত ছিলেন, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইলিয়াস আলীকে তুলে নেওয়ার সময়কার অভিযানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও আনসার আলীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় তাঁদের পরিবারের অপেক্ষাও শেষ হয়নি। নতুন করে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ায় তাঁদের সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে আবারও আশার সৃষ্টি হয়েছে।
2.png)