আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে গত সাত মাস ধরে পরিবারের সদস্য, আইনজীবী কিংবা চিকিৎসকদের কাউকেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার দুই ছেলে কাসিম খান ও সুলাইমান খান। এতে বাবার শারীরিক সুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন তারা।
ইমরান খানের কারাবন্দির তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুই ছেলে এসব কথা বলেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাবার কোনো নতুন তথ্য তারা পাচ্ছেন না। কারাগারে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগের সুযোগও সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
কাসিম ও সুলাইমান বলেন, গত সাত মাসে পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের কেউই ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। ফলে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন।
ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকেরা তার ও স্ত্রী বুশরা বিবির মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যেই ইমরানের ছেলেরা বাবার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না পাওয়ার বিষয়টি সামনে আনলেন।
২০১৮ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন ইমরান খান। ২০২২ সালে সংসদে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি কারাগারে আছেন। দুর্নীতি ও সরকারি গোপন তথ্য ফাঁসসহ একাধিক মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
তবে ইমরান খানের রাজনৈতিক সহযোগীরা এসব অভিযোগ ও মামলাকে বরাবরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, রাজনীতিতে ইমরানের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতেই তার বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়েছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরানের কারাবাস নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার পর পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের দুই ছেলের ভিসা প্রক্রিয়ায় দেরি করছে এবং নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
কাসিম বলেন, তারা পাকিস্তানে যেতে চান এবং বাবার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। তাদের ভিসা না পাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণও দেখছেন না তারা।
ইমরানের দুই ছেলে আরও জানান, তাদের পরিচয়পত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সেটিও নবায়ন করা হয়নি।
পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। চলতি সপ্তাহে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে ইমরান খান ও বুশরা বিবিকে তাদের পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার নিঃশর্তভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বিষয় : ইমরান খান
2.png)
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে গত সাত মাস ধরে পরিবারের সদস্য, আইনজীবী কিংবা চিকিৎসকদের কাউকেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার দুই ছেলে কাসিম খান ও সুলাইমান খান। এতে বাবার শারীরিক সুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন তারা।
ইমরান খানের কারাবন্দির তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুই ছেলে এসব কথা বলেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাবার কোনো নতুন তথ্য তারা পাচ্ছেন না। কারাগারে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগের সুযোগও সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
কাসিম ও সুলাইমান বলেন, গত সাত মাসে পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের কেউই ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। ফলে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন।
ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকেরা তার ও স্ত্রী বুশরা বিবির মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যেই ইমরানের ছেলেরা বাবার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না পাওয়ার বিষয়টি সামনে আনলেন।
২০১৮ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন ইমরান খান। ২০২২ সালে সংসদে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি কারাগারে আছেন। দুর্নীতি ও সরকারি গোপন তথ্য ফাঁসসহ একাধিক মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
তবে ইমরান খানের রাজনৈতিক সহযোগীরা এসব অভিযোগ ও মামলাকে বরাবরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, রাজনীতিতে ইমরানের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতেই তার বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়েছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরানের কারাবাস নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার পর পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের দুই ছেলের ভিসা প্রক্রিয়ায় দেরি করছে এবং নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
কাসিম বলেন, তারা পাকিস্তানে যেতে চান এবং বাবার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। তাদের ভিসা না পাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণও দেখছেন না তারা।
ইমরানের দুই ছেলে আরও জানান, তাদের পরিচয়পত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সেটিও নবায়ন করা হয়নি।
পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। চলতি সপ্তাহে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে ইমরান খান ও বুশরা বিবিকে তাদের পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার নিঃশর্তভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
2.png)