আন্তর্জাতিক
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী, ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়া এবং ইরানের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে এবার সামরিক কৌশল পরিবর্তন করেছে সৌদি আরব। গত মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে পূর্ব ইরাকে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী।
সাম্প্রতিক এক সপ্তাহে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরাকি মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলা এবং তেহরানের কড়া সতর্কবার্তার পর রিয়াদ এই পদক্ষেপ নেয়। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংঘাত বাড়ানো তাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে দেশের নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় যেকোনো হামলার জবাব দেওয়া হবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) দাবি করেছে, হামলায় তাদের অন্তত ২০ সদস্য নিহত এবং আরও বহুজন আহত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব এখন একই সময়ে দক্ষিণে ইয়েমেনের হুতি, উত্তরে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং পূর্বে ইরানের চাপ মোকাবিলা করছে। এতে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো, সমুদ্রপথে তেল রপ্তানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
তাদের আশঙ্কা, বর্তমান উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে না এলে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে।
বিষয় : সৌদি হামলা ইরাক হামলা
2.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী, ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়া এবং ইরানের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে এবার সামরিক কৌশল পরিবর্তন করেছে সৌদি আরব। গত মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে পূর্ব ইরাকে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী।
সাম্প্রতিক এক সপ্তাহে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরাকি মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলা এবং তেহরানের কড়া সতর্কবার্তার পর রিয়াদ এই পদক্ষেপ নেয়। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংঘাত বাড়ানো তাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে দেশের নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় যেকোনো হামলার জবাব দেওয়া হবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই এই যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে।
এদিকে, ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) দাবি করেছে, হামলায় তাদের অন্তত ২০ সদস্য নিহত এবং আরও বহুজন আহত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব এখন একই সময়ে দক্ষিণে ইয়েমেনের হুতি, উত্তরে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং পূর্বে ইরানের চাপ মোকাবিলা করছে। এতে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো, সমুদ্রপথে তেল রপ্তানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
তাদের আশঙ্কা, বর্তমান উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে না এলে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে।
2.png)