রাজনীতি
বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার ভাষ্য, দেশের রাজনৈতিক নানা সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণও দিল্লি থেকে পরিচালিত হয়।
শুক্রবার দুপুরে নরসিংদী শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা জামায়াত আয়োজিত সদস্য (রুকন) সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন এবং বন্দি বিনিময়সংক্রান্ত নীতিমালা উপেক্ষা করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে ভারতে প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধাসহ অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ন্যায্য সম্পর্ক চায়। তবে কোনো দেশ যদি বাংলাদেশের রাজনীতি, সরকার বা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তাহলে দেশের জনগণ তা গ্রহণ করবে না।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল, আইন এবং সরকারের এখতিয়ারের মধ্যে রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর মেনে নেবে না।
সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে তিনি বিএনপির সাম্প্রতিক অবস্থানেরও সমালোচনা করেন। তার দাবি, দলটি আগে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন সংশোধনের কথা বলছে, যা তাদের ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকর করার আহ্বান জানান গোলাম পরওয়ার। অন্যথায় আন্দোলনের কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও হত্যা, নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণের মতো অপরাধ কমেনি। পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমেও সরকারের দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
নরসিংদী জেলা জামায়াতের সংগঠক মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার, মশিউল আলমসহ কেন্দ্র ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার ভাষ্য, দেশের রাজনৈতিক নানা সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণও দিল্লি থেকে পরিচালিত হয়।
শুক্রবার দুপুরে নরসিংদী শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা জামায়াত আয়োজিত সদস্য (রুকন) সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন এবং বন্দি বিনিময়সংক্রান্ত নীতিমালা উপেক্ষা করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে ভারতে প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধাসহ অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ন্যায্য সম্পর্ক চায়। তবে কোনো দেশ যদি বাংলাদেশের রাজনীতি, সরকার বা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তাহলে দেশের জনগণ তা গ্রহণ করবে না।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল, আইন এবং সরকারের এখতিয়ারের মধ্যে রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর মেনে নেবে না।
সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে তিনি বিএনপির সাম্প্রতিক অবস্থানেরও সমালোচনা করেন। তার দাবি, দলটি আগে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন সংশোধনের কথা বলছে, যা তাদের ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকর করার আহ্বান জানান গোলাম পরওয়ার। অন্যথায় আন্দোলনের কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও হত্যা, নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণের মতো অপরাধ কমেনি। পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমেও সরকারের দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
নরসিংদী জেলা জামায়াতের সংগঠক মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার, মশিউল আলমসহ কেন্দ্র ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)