জাতীয়
সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি ফেরাতে এবং বেকারত্ব দূর করতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের বিভিন্ন ক্যাডারে বর্তমানে যে ৮ হাজার ৯৯টি পদ খালি পড়ে আছে, তা দ্রুত সময়ের মধ্যে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, মেধাবী ও দক্ষ জনবল নিয়োগ নিশ্চিত করতে ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষাও শেষ হয়েছে। এসব ধাপ শেষ হওয়ার পরপরই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে।
নিয়োগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে এবং দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট দূর করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এর ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রেখেই দেশের সব সরকারি দপ্তরে দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা সরকারের মূল লক্ষ্য।
বিষয় : সরকারি চাকরি নিয়োগ
2.png)
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি ফেরাতে এবং বেকারত্ব দূর করতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের বিভিন্ন ক্যাডারে বর্তমানে যে ৮ হাজার ৯৯টি পদ খালি পড়ে আছে, তা দ্রুত সময়ের মধ্যে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, মেধাবী ও দক্ষ জনবল নিয়োগ নিশ্চিত করতে ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষাও শেষ হয়েছে। এসব ধাপ শেষ হওয়ার পরপরই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে।
নিয়োগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে এবং দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি দপ্তরে জনবল সংকট দূর করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এর ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রেখেই দেশের সব সরকারি দপ্তরে দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা সরকারের মূল লক্ষ্য।
2.png)