জাতীয়
পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন করে আইনি ঢাল সাজালো সরকার। ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং প্রশ্নফাঁসের মতো জালিয়াতি নির্মূল করতে বিদ্যমান আইনে সংশোধন এনে নতুন বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, পাবলিক পরীক্ষার গোপনীয়তা নষ্ট করে ডিজিটাল মাধ্যমে কারসাজি বা জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনে বলা হয়েছে, এমন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হবেন।
শুধু ডিজিটাল জালিয়াতিই নয়, পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও আইনটিকে আরও কঠোর করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ যদি নিষিদ্ধ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন বা প্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের বৈধ কোনো নির্দেশনা অমান্য করলে তার জন্যও একই মাত্রার শাস্তি অর্থাৎ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের এই পর্যায়ে আইনটি পাসের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক নতুন আইনি ভিত্তি তৈরি হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে এই কঠোর বিধান পরীক্ষার মান ও পবিত্রতা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
2.png)
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন করে আইনি ঢাল সাজালো সরকার। ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং প্রশ্নফাঁসের মতো জালিয়াতি নির্মূল করতে বিদ্যমান আইনে সংশোধন এনে নতুন বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, পাবলিক পরীক্ষার গোপনীয়তা নষ্ট করে ডিজিটাল মাধ্যমে কারসাজি বা জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনে বলা হয়েছে, এমন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হবেন।
শুধু ডিজিটাল জালিয়াতিই নয়, পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও আইনটিকে আরও কঠোর করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ যদি নিষিদ্ধ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন বা প্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের বৈধ কোনো নির্দেশনা অমান্য করলে তার জন্যও একই মাত্রার শাস্তি অর্থাৎ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের এই পর্যায়ে আইনটি পাসের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক নতুন আইনি ভিত্তি তৈরি হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে এই কঠোর বিধান পরীক্ষার মান ও পবিত্রতা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
2.png)