খেলা
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনের বিপক্ষে নাটকীয় পরাজয়ের পর পর্তুগালের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন রবার্তো মার্টিনেজ। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমে মিকেল মোরিনোর গোলে ১-০ ব্যবধানে হারের পর সোমবার (৬ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদায়ের কথা নিশ্চিত করেন। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারেরও সম্ভবত সমাপ্তি ঘটল।
বিদায়বেলায় আবেগপ্রবণ মার্টিনেজ
২০২৩ সালে পর্তুগালের দায়িত্ব নেওয়া মার্টিনেজ সংবাদ সম্মেলনে তার বিদায়কে ‘গর্ব ও দায়িত্ববোধের’ এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই পদে কাজ চালিয়ে যাওয়ার এখন আর কোনো অর্থ নেই। ৪৫টি ম্যাচে এই দলের সঙ্গে থাকতে পারাটা আমার জন্য গর্বের ও আনন্দের। পর্তুগালে যে ভালোবাসা ও সমর্থন আমি পেয়েছি, তা সারাজীবন আমার স্মৃতিতে থাকবে। সময় শেষ হয়ে গেছে এবং এখনই চলে যাওয়ার সঠিক মুহূর্ত।”
ব্যর্থতা নয়, লড়াই হিসেবেই দেখছেন বিদায়
পর্তুগালের এবারের স্কোয়াডকে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রতিভাবান হিসেবে গণ্য করা হলেও শেষ ষোলো থেকে বিদায়কে ‘ব্যর্থতা’ মানতে নারাজ মার্টিনেজ। তিনি বলেন, “আমরা পরাজিত হয়েছি সত্য, কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিল এই আসরের ফেবারিট। বড় দলগুলোর ক্ষেত্রে জয়ের জন্য লড়াই করাটাই মুখ্য। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি।” ম্যাচের ভাগ্য নিয়ে আক্ষেপ করে তিনি জানান, একটি শট পোস্টে না লাগলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
রোনালদোকে ৯০ মিনিট মাঠে রাখা প্রসঙ্গে
পুরো ৯০ মিনিট ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে মাঠ থেকে না তোলার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে মার্টিনেজ বলেন, “যখন তোমার গোলের প্রয়োজন, তখন রোনালদোর মতো খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া অসম্ভব। তার উপস্থিতি দলের জন্য জরুরি, সে যেকোনো সময় বক্সে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তাকে বেঞ্চে রাখার কোনো যুক্তি আমার ছিল না।”
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর মার্টিনেজের অধীনে পর্তুগাল ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও বিদায় নিয়েছিল। বেলজিয়াম জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ মার্টিনেজ এভারটন ও উইগানের মতো ক্লাবেও কাজ করেছেন। তার এই বিদায়ের পর এখন পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচের সন্ধানে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
2.png)
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনের বিপক্ষে নাটকীয় পরাজয়ের পর পর্তুগালের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন রবার্তো মার্টিনেজ। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমে মিকেল মোরিনোর গোলে ১-০ ব্যবধানে হারের পর সোমবার (৬ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদায়ের কথা নিশ্চিত করেন। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারেরও সম্ভবত সমাপ্তি ঘটল।
বিদায়বেলায় আবেগপ্রবণ মার্টিনেজ
২০২৩ সালে পর্তুগালের দায়িত্ব নেওয়া মার্টিনেজ সংবাদ সম্মেলনে তার বিদায়কে ‘গর্ব ও দায়িত্ববোধের’ এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই পদে কাজ চালিয়ে যাওয়ার এখন আর কোনো অর্থ নেই। ৪৫টি ম্যাচে এই দলের সঙ্গে থাকতে পারাটা আমার জন্য গর্বের ও আনন্দের। পর্তুগালে যে ভালোবাসা ও সমর্থন আমি পেয়েছি, তা সারাজীবন আমার স্মৃতিতে থাকবে। সময় শেষ হয়ে গেছে এবং এখনই চলে যাওয়ার সঠিক মুহূর্ত।”
ব্যর্থতা নয়, লড়াই হিসেবেই দেখছেন বিদায়
পর্তুগালের এবারের স্কোয়াডকে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রতিভাবান হিসেবে গণ্য করা হলেও শেষ ষোলো থেকে বিদায়কে ‘ব্যর্থতা’ মানতে নারাজ মার্টিনেজ। তিনি বলেন, “আমরা পরাজিত হয়েছি সত্য, কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিল এই আসরের ফেবারিট। বড় দলগুলোর ক্ষেত্রে জয়ের জন্য লড়াই করাটাই মুখ্য। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি।” ম্যাচের ভাগ্য নিয়ে আক্ষেপ করে তিনি জানান, একটি শট পোস্টে না লাগলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
রোনালদোকে ৯০ মিনিট মাঠে রাখা প্রসঙ্গে
পুরো ৯০ মিনিট ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে মাঠ থেকে না তোলার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে মার্টিনেজ বলেন, “যখন তোমার গোলের প্রয়োজন, তখন রোনালদোর মতো খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া অসম্ভব। তার উপস্থিতি দলের জন্য জরুরি, সে যেকোনো সময় বক্সে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তাকে বেঞ্চে রাখার কোনো যুক্তি আমার ছিল না।”
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর মার্টিনেজের অধীনে পর্তুগাল ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও বিদায় নিয়েছিল। বেলজিয়াম জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ মার্টিনেজ এভারটন ও উইগানের মতো ক্লাবেও কাজ করেছেন। তার এই বিদায়ের পর এখন পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচের সন্ধানে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
2.png)