লোকাল ফোকাস
নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মোহাম্মদ মিলন (৫২) নামে এক জেলের সলিল সমাধি হয়েছে। সোমবার বিকেলে ইউনিয়নের মুন্সি গ্রামসংলগ্ন মেঘনা শাখা নদীতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন নিঝুম দ্বীপের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনা নদীতে মিলনসহ কয়েকজন জেলে ঠেলা জাল নিয়ে মাছ ধরতে নেমেছিলেন। মাছ ধরার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত মিলন নদীর স্রোতে তলিয়ে যান। শুরুতে বিষয়টি তাঁর সঙ্গীদের নজরে আসেনি। কিছুক্ষণ পর পানির ওপর মিলনের জাল ভাসতে দেখে সন্দেহ হয় সহকর্মীদের। এরপরই শুরু হয় তাঁকে উদ্ধারের জোর চেষ্টা।
প্রায় তিন ঘণ্টা টানা খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জোয়ারের পানি কিছুটা নামলে নদীতে মিলনের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্বজন ও সঙ্গীরা মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয় : হাতিয়া নিঝুম দ্বীপ জেলের মৃত্যু
2.png)
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মোহাম্মদ মিলন (৫২) নামে এক জেলের সলিল সমাধি হয়েছে। সোমবার বিকেলে ইউনিয়নের মুন্সি গ্রামসংলগ্ন মেঘনা শাখা নদীতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন নিঝুম দ্বীপের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনা নদীতে মিলনসহ কয়েকজন জেলে ঠেলা জাল নিয়ে মাছ ধরতে নেমেছিলেন। মাছ ধরার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত মিলন নদীর স্রোতে তলিয়ে যান। শুরুতে বিষয়টি তাঁর সঙ্গীদের নজরে আসেনি। কিছুক্ষণ পর পানির ওপর মিলনের জাল ভাসতে দেখে সন্দেহ হয় সহকর্মীদের। এরপরই শুরু হয় তাঁকে উদ্ধারের জোর চেষ্টা।
প্রায় তিন ঘণ্টা টানা খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জোয়ারের পানি কিছুটা নামলে নদীতে মিলনের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্বজন ও সঙ্গীরা মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
2.png)