বিনোদন
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তাঁর অনন্য কণ্ঠ, আবেগময় পরিবেশনা এবং সুরের জাদু প্রায় চার দশক ধরে দেশের কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে।
বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালি অধ্যায়ে এন্ড্রু কিশোর ছিলেন এক অনন্য নাম। অসংখ্য কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। সংগীতজগতে তাঁর অবস্থান ছিল ঈর্ষণীয়, আর জনপ্রিয়তার দিক থেকেও তিনি ছিলেন সমকালীনদের মধ্যে অন্যতম।
২০২০ সালের ৬ জুলাই এই কিংবদন্তি শিল্পী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তাঁর বিদায়ে দেশের সংগীতাঙ্গনে সৃষ্টি হয় এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের ব্যবধানে সেই শূন্যতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তবে তাঁর গান আজও শ্রোতাদের আবেগ, স্মৃতি ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে।
গুণীজনের সম্মানই সংস্কৃতির শক্তি
এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে আবারও সামনে আসে শিল্পী ও সংস্কৃতিসেবীদের যথাযথ মূল্যায়নের প্রশ্ন। সংস্কৃতিবিদদের মতে, একটি রাষ্ট্রের প্রগতিশীলতা ও মানবিক বিকাশে শিল্প-সংস্কৃতির ভূমিকা অপরিসীম। গুণীজনদের যথাযথ সম্মান ও সংরক্ষণ একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিপক্বতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
শ্রদ্ধায় স্মরণ
মৃত্যুবার্ষিকীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং ভক্তদের নানা আয়োজনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে। তাঁর কালজয়ী গান এবং শিল্পসাধনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন সংগীতপ্রেমীরা।
বিষয় : এন্ড্রু কিশোর
2.png)
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তাঁর অনন্য কণ্ঠ, আবেগময় পরিবেশনা এবং সুরের জাদু প্রায় চার দশক ধরে দেশের কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে।
বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালি অধ্যায়ে এন্ড্রু কিশোর ছিলেন এক অনন্য নাম। অসংখ্য কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। সংগীতজগতে তাঁর অবস্থান ছিল ঈর্ষণীয়, আর জনপ্রিয়তার দিক থেকেও তিনি ছিলেন সমকালীনদের মধ্যে অন্যতম।
২০২০ সালের ৬ জুলাই এই কিংবদন্তি শিল্পী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তাঁর বিদায়ে দেশের সংগীতাঙ্গনে সৃষ্টি হয় এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের ব্যবধানে সেই শূন্যতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তবে তাঁর গান আজও শ্রোতাদের আবেগ, স্মৃতি ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে।
গুণীজনের সম্মানই সংস্কৃতির শক্তি
এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে আবারও সামনে আসে শিল্পী ও সংস্কৃতিসেবীদের যথাযথ মূল্যায়নের প্রশ্ন। সংস্কৃতিবিদদের মতে, একটি রাষ্ট্রের প্রগতিশীলতা ও মানবিক বিকাশে শিল্প-সংস্কৃতির ভূমিকা অপরিসীম। গুণীজনদের যথাযথ সম্মান ও সংরক্ষণ একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিপক্বতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
শ্রদ্ধায় স্মরণ
মৃত্যুবার্ষিকীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং ভক্তদের নানা আয়োজনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে। তাঁর কালজয়ী গান এবং শিল্পসাধনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন সংগীতপ্রেমীরা।
2.png)