লোকাল ফোকাস
ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কার্যালয়ের অধীনে আয়োজিত কম্পিউটার বেসিক ট্রেনিং কর্মসূচির চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ওই তালিকায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি বিশেষ ধর্মের মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি থাকায় সরকারি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশিক্ষণের জন্য আবেদনকারী অনেক মুসলিম প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই সনাতন ধর্মাবলম্বী। এ নিয়ে সাধারণ আবেদনকারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, মেধা ও নিয়ম না মেনে ধর্মীয় পরিচয়কে বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, এই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্বে ছিলেন ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা রজত শুভ্র সরকার। তালিকা প্রকাশের পরপরই স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ কেবল পক্ষপাতদুষ্টই নয়, বরং সরকারি সেবার মূলনীতিরও পরিপন্থী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী আবেদনকারী জানান, কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো একটি সাধারণ সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও যদি ধর্মীয় বৈষম্য করা হয়, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তাদের ভাষ্য, সরকারি সুযোগ-সুবিধা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমান। এখানে যোগ্যতাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। সরকারি দপ্তরে নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই যেন ধর্মীয় পরিচয় বা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাব না ফেলে, তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
বিষয় : ভোলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা
2.png)
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কার্যালয়ের অধীনে আয়োজিত কম্পিউটার বেসিক ট্রেনিং কর্মসূচির চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ওই তালিকায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি বিশেষ ধর্মের মানুষের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি থাকায় সরকারি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশিক্ষণের জন্য আবেদনকারী অনেক মুসলিম প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই সনাতন ধর্মাবলম্বী। এ নিয়ে সাধারণ আবেদনকারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, মেধা ও নিয়ম না মেনে ধর্মীয় পরিচয়কে বিবেচনায় নিয়ে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, এই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া তদারকির দায়িত্বে ছিলেন ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা রজত শুভ্র সরকার। তালিকা প্রকাশের পরপরই স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ কেবল পক্ষপাতদুষ্টই নয়, বরং সরকারি সেবার মূলনীতিরও পরিপন্থী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী আবেদনকারী জানান, কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো একটি সাধারণ সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও যদি ধর্মীয় বৈষম্য করা হয়, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। তাদের ভাষ্য, সরকারি সুযোগ-সুবিধা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমান। এখানে যোগ্যতাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। সরকারি দপ্তরে নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই যেন ধর্মীয় পরিচয় বা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাব না ফেলে, তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
2.png)