লোকাল ফোকাস
কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সাধারণ ত্রাণ বা নগদ টাকা বিলানোর চেনা পথটি এড়িয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন কর্মসংস্থানের নতুন এক মডেল। নিজের তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ করে ৮ জন কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন রিকশা, যা এলাকার মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
এই প্রকল্পের পেছনের অংকটি বেশ চমৎকার। প্রতিটি রিকশার বাজারমূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সুবিধাভোগীদের কোনো চড়া সুদের কিস্তিতে পড়তে হবে না, উল্টো রয়েছে বিশাল সুযোগ। চালকদের প্রতিদিন ১০০ টাকা করে সপ্তাহে ৭০০ টাকা জমা দিতে হবে। এভাবে ৩০ মাস বা আড়াই বছর নিয়মিত টাকা জমা দিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার টাকা। এই অর্থ পরিশোধ করলেই চালক পেয়ে যাবেন রিকশার পূর্ণ মালিকানা। অর্থাৎ, মূল দামের চেয়ে ৩৫ হাজার টাকা কম খরচেই তিনি রিকশার মালিক হচ্ছেন।
সাধারণত দরিদ্র মানুষ এনজিও বা বিভিন্ন সংস্থার কিস্তির চাপে পিষ্ট হন। ঋণের টাকা শোধ করতেই আয়ের বড় অংশ চলে যায়। হাসনাত আবদুল্লাহর এই মডেলে সেই ভয়ের জায়গা নেই। কোনো বাড়তি সুদ নেই, আছে নিয়ম মেনে চললে বড় অংকের ছাড় পাওয়ার সুযোগ।
তবে এই সুবিধা নেওয়ার পেছনে রয়েছে কঠোর নিয়ম। রিকশা পাওয়া যাবে কিন্তু তা বিক্রি বা ভাড়া দেওয়া যাবে না। সুবিধাভোগীকে নিজেই রিকশা চালাতে হবে। এই শর্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, রিকশাটি যেন কোনো অসাধু চক্রের হাতে না পড়ে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দান করে মানুষকে অলস না বানিয়ে এভাবে স্বাবলম্বী করার চেষ্টাটি প্রশংসার দাবি রাখে। এই মডেলটি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে তা শুধু দেবীদ্বার নয়, দেশের বেকারত্ব কমানোর ক্ষেত্রে বড় উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে।
2.png)
রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সাধারণ ত্রাণ বা নগদ টাকা বিলানোর চেনা পথটি এড়িয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন কর্মসংস্থানের নতুন এক মডেল। নিজের তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ করে ৮ জন কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন রিকশা, যা এলাকার মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
এই প্রকল্পের পেছনের অংকটি বেশ চমৎকার। প্রতিটি রিকশার বাজারমূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সুবিধাভোগীদের কোনো চড়া সুদের কিস্তিতে পড়তে হবে না, উল্টো রয়েছে বিশাল সুযোগ। চালকদের প্রতিদিন ১০০ টাকা করে সপ্তাহে ৭০০ টাকা জমা দিতে হবে। এভাবে ৩০ মাস বা আড়াই বছর নিয়মিত টাকা জমা দিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার টাকা। এই অর্থ পরিশোধ করলেই চালক পেয়ে যাবেন রিকশার পূর্ণ মালিকানা। অর্থাৎ, মূল দামের চেয়ে ৩৫ হাজার টাকা কম খরচেই তিনি রিকশার মালিক হচ্ছেন।
সাধারণত দরিদ্র মানুষ এনজিও বা বিভিন্ন সংস্থার কিস্তির চাপে পিষ্ট হন। ঋণের টাকা শোধ করতেই আয়ের বড় অংশ চলে যায়। হাসনাত আবদুল্লাহর এই মডেলে সেই ভয়ের জায়গা নেই। কোনো বাড়তি সুদ নেই, আছে নিয়ম মেনে চললে বড় অংকের ছাড় পাওয়ার সুযোগ।
তবে এই সুবিধা নেওয়ার পেছনে রয়েছে কঠোর নিয়ম। রিকশা পাওয়া যাবে কিন্তু তা বিক্রি বা ভাড়া দেওয়া যাবে না। সুবিধাভোগীকে নিজেই রিকশা চালাতে হবে। এই শর্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, রিকশাটি যেন কোনো অসাধু চক্রের হাতে না পড়ে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দান করে মানুষকে অলস না বানিয়ে এভাবে স্বাবলম্বী করার চেষ্টাটি প্রশংসার দাবি রাখে। এই মডেলটি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে তা শুধু দেবীদ্বার নয়, দেশের বেকারত্ব কমানোর ক্ষেত্রে বড় উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে।
2.png)