জাতীয়
সাড়ে ৫ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত শুনানি শেষে অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত আদেশের জন্য আগামী ২১ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন।
দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সকালে কড়া নিরাপত্তায় মতিউর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান। অন্যদিকে, দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম রাষ্ট্রপক্ষে অভিযোগ গঠনের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, মতিউর রহমান তাঁর সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগপত্রে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ঢাকার সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণ ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মতিউর রহমানের বিপুল অবৈধ সম্পদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে, সেই থেকে তিনি কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।
2.png)
রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
সাড়ে ৫ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত শুনানি শেষে অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত আদেশের জন্য আগামী ২১ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন।
দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সকালে কড়া নিরাপত্তায় মতিউর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান। অন্যদিকে, দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম রাষ্ট্রপক্ষে অভিযোগ গঠনের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, মতিউর রহমান তাঁর সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগপত্রে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ঢাকার সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণ ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মতিউর রহমানের বিপুল অবৈধ সম্পদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে, সেই থেকে তিনি কারাগারেই বন্দি রয়েছেন।
2.png)