বাংলাদেশ
বাজারে ব্রয়লার মুরগির আধিপত্য থাকলেও স্বাদের প্রশ্নে অধিকাংশ বাঙালির প্রথম পছন্দ দেশি মুরগি। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে বড় হওয়ায় দেশি জাতের চাষাবাদে অনেক সময় বাণিজ্যিক লাভের হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হয় খামারিদের। সেই সমস্যার সমাধানে নতুন আশা নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকদের উদ্ভাবিত মুরগির নতুন একটি জাত।
প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ ও নিবিড় গবেষণার পর গবেষকরা এমন এক জাতের মুরগি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন, যা অত্যন্ত দ্রুত বেড়ে ওঠে। গবেষণার তথ্যমতে, মাত্র ৪৫ দিনেই এই মুরগির ওজন দাঁড়াবে প্রায় ৯৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত। দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ার পাশাপাশি মাংসের গুণগত মানের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
গবেষকদের দাবি, এই নতুন জাতের মুরগির মাংসের রং হবে লালচে। শুধু তাই নয়, এর হাড় ও মাংসের গঠনশৈলী অনেকটা আমাদের চিরচেনা দেশি মুরগির মতোই শক্ত ও সুস্বাদু। অর্থাৎ, ভোক্তারা ব্রয়লার মুরগির মতো দ্রুত মাংসের জোগান পাওয়ার পাশাপাশি দেশি মুরগির সেই কাঙ্ক্ষিত স্বাদও উপভোগ করতে পারবেন।
পোলট্রি শিল্পে এই উদ্ভাবন এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। খামারিরা যদি এই জাতটি বাণিজ্যিকভাবে লালন-পালন করতে পারেন, তবে একদিকে যেমন বাজারে মাংসের সরবরাহ বাড়বে, অন্যদিকে দেশি স্বাদের মুরগি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সহজলভ্য হবে। এই নতুন জাতটি দেশের পোলট্রি শিল্পে পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : নিতুন জাতের মুরগী
2.png)
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
বাজারে ব্রয়লার মুরগির আধিপত্য থাকলেও স্বাদের প্রশ্নে অধিকাংশ বাঙালির প্রথম পছন্দ দেশি মুরগি। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে বড় হওয়ায় দেশি জাতের চাষাবাদে অনেক সময় বাণিজ্যিক লাভের হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হয় খামারিদের। সেই সমস্যার সমাধানে নতুন আশা নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকদের উদ্ভাবিত মুরগির নতুন একটি জাত।
প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ ও নিবিড় গবেষণার পর গবেষকরা এমন এক জাতের মুরগি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন, যা অত্যন্ত দ্রুত বেড়ে ওঠে। গবেষণার তথ্যমতে, মাত্র ৪৫ দিনেই এই মুরগির ওজন দাঁড়াবে প্রায় ৯৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত। দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ার পাশাপাশি মাংসের গুণগত মানের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
গবেষকদের দাবি, এই নতুন জাতের মুরগির মাংসের রং হবে লালচে। শুধু তাই নয়, এর হাড় ও মাংসের গঠনশৈলী অনেকটা আমাদের চিরচেনা দেশি মুরগির মতোই শক্ত ও সুস্বাদু। অর্থাৎ, ভোক্তারা ব্রয়লার মুরগির মতো দ্রুত মাংসের জোগান পাওয়ার পাশাপাশি দেশি মুরগির সেই কাঙ্ক্ষিত স্বাদও উপভোগ করতে পারবেন।
পোলট্রি শিল্পে এই উদ্ভাবন এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। খামারিরা যদি এই জাতটি বাণিজ্যিকভাবে লালন-পালন করতে পারেন, তবে একদিকে যেমন বাজারে মাংসের সরবরাহ বাড়বে, অন্যদিকে দেশি স্বাদের মুরগি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সহজলভ্য হবে। এই নতুন জাতটি দেশের পোলট্রি শিল্পে পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
2.png)