বিশ্বকাপ দামামা
মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এক সংকটে পড়েছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়ার ঠিক পরপরই ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নির্দেশ, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়তে হবে দলটিকে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়ে ফুটবলারদের শারীরিক ধকল ও বিশ্রাম নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের শঙ্কা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শেষে ইরানের কোচ আমির ঘালেনোয়েই গণমাধ্যমের কাছে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'খেলা শেষ হওয়ার পর আমাদের জানিয়ে দেওয়া হলো মাত্র দুই ঘণ্টা সময় আছে। এর মধ্যেই মেক্সিকোর উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে। একজন ফুটবলারের ম্যাচ খেলার পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। অথচ আমাদের এখন বিমানে দীর্ঘ ভ্রমণ করতে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য চরম অন্যায়।'
আমেরিকার সঙ্গে রাজনৈতিক বৈরিতার প্রভাব পড়েছে সরাসরি ফুটবলের ওপর। নিরাপত্তার অজুহাতে ইরানের ফুটবল দলকে সরাসরি আমেরিকায় ক্যাম্প করতে দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তাদের মেক্সিকোতে ঘাঁটি গাড়তে হয়েছে। সেই মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় খেলতে আসতে বিমানে ব্যয় করতে হয় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। এর ফলে খেলার আগের দিন পাঁচ ঘণ্টা এবং খেলা শেষ হওয়ার পরপরই আবারও দীর্ঘ বিমানযাত্রার ধকল সামলাতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এত দীর্ঘ সফর ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন কোচ।
ইরানের ফুটবল দলের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে ফিফার কাছে আবেদন করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। দলের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে জানিয়ে কোচ আমির আরও বলেন, 'আমাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি অন্যায় হচ্ছে। ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভিসা দেওয়া হয়নি, এমনকি সাংবাদিকদেরও আসতে দেওয়া হয়নি। দলের ম্যানেজমেন্টও পূর্ণাঙ্গভাবে আসতে পারেনি।'
উল্লেখ্য, ভিসা জটিলতায় ইরান ফুটবল সংস্থার সভাপতি মেহদি তাজসহ অনেক কর্তাই দলের সঙ্গে আমেরিকায় আসতে পারেননি। কূটনৈতিক টানাপোড়েনে শুরু থেকেই বিপর্যস্ত ইরানি দলটি এখন মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে ভ্রমণজনিত ক্লান্তির সঙ্গেই বেশি লড়াই করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এমন কঠোর নীতিতে বিরক্ত ফুটবল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খেলার মাঠে এমন আচরণ ফুটবলের মূল চেতনার পরিপন্থি।
2.png)
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এক সংকটে পড়েছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়ার ঠিক পরপরই ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নির্দেশ, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়তে হবে দলটিকে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়ে ফুটবলারদের শারীরিক ধকল ও বিশ্রাম নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের শঙ্কা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শেষে ইরানের কোচ আমির ঘালেনোয়েই গণমাধ্যমের কাছে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'খেলা শেষ হওয়ার পর আমাদের জানিয়ে দেওয়া হলো মাত্র দুই ঘণ্টা সময় আছে। এর মধ্যেই মেক্সিকোর উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে। একজন ফুটবলারের ম্যাচ খেলার পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। অথচ আমাদের এখন বিমানে দীর্ঘ ভ্রমণ করতে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য চরম অন্যায়।'
আমেরিকার সঙ্গে রাজনৈতিক বৈরিতার প্রভাব পড়েছে সরাসরি ফুটবলের ওপর। নিরাপত্তার অজুহাতে ইরানের ফুটবল দলকে সরাসরি আমেরিকায় ক্যাম্প করতে দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তাদের মেক্সিকোতে ঘাঁটি গাড়তে হয়েছে। সেই মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় খেলতে আসতে বিমানে ব্যয় করতে হয় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। এর ফলে খেলার আগের দিন পাঁচ ঘণ্টা এবং খেলা শেষ হওয়ার পরপরই আবারও দীর্ঘ বিমানযাত্রার ধকল সামলাতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এত দীর্ঘ সফর ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন কোচ।
ইরানের ফুটবল দলের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে ফিফার কাছে আবেদন করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। দলের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে জানিয়ে কোচ আমির আরও বলেন, 'আমাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি অন্যায় হচ্ছে। ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভিসা দেওয়া হয়নি, এমনকি সাংবাদিকদেরও আসতে দেওয়া হয়নি। দলের ম্যানেজমেন্টও পূর্ণাঙ্গভাবে আসতে পারেনি।'
উল্লেখ্য, ভিসা জটিলতায় ইরান ফুটবল সংস্থার সভাপতি মেহদি তাজসহ অনেক কর্তাই দলের সঙ্গে আমেরিকায় আসতে পারেননি। কূটনৈতিক টানাপোড়েনে শুরু থেকেই বিপর্যস্ত ইরানি দলটি এখন মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে ভ্রমণজনিত ক্লান্তির সঙ্গেই বেশি লড়াই করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এমন কঠোর নীতিতে বিরক্ত ফুটবল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খেলার মাঠে এমন আচরণ ফুটবলের মূল চেতনার পরিপন্থি।
2.png)