জাতীয়
অবশেষে সচল হচ্ছে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ণ রিফাইনারি পিএলসি’। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সৌদি আরব থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের একটি চালান আসায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই পুরোদমে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন চালানের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সক্ষমতায় বড় ধরনের গতি ফিরবে।
ইস্টার্ণ রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) মামুনুর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিকেলের পরপরই তেল শোধনের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে যাবে। তবে শুরুতে কারিগরি কিছু বিষয়ের সমন্বয় করতে হয় বলে প্রথম দিকে দৈনিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন। যন্ত্রপাতির ওপর চাপ কমাতে এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা কয়েক দিনের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
সূত্রমতে, সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৯৪ মেট্রিক টন তেল নিয়ে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি বিশালাকার জাহাজ ইতিমধ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করেছে। সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় এই কাঁচামাল সংগ্রহ করে পরিশোধন কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো পূর্ণ সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো।
বর্তমানে যে পরিমাণ তেলের মজুত আছে, তা দিয়ে টানা ২০ থেকে ২৫ দিন শোধনাগারটি চালু রাখা সম্ভব হবে। তবে এর মাঝেই সুখবর হলো, চলতি মাসের ২০ তারিখের পর অপরিশোধিত তেলের আরও একটি বড় চালান দেশে আসার কথা রয়েছে। যদি সৌদি আরবে আগামী ১০ থেকে ১২ মে’র মধ্যে নতুন সেই চালানটি জাহাজে তোলা সম্ভব হয়, তবে সরবরাহে আর কোনো ছেদ পড়বে না বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। পরবর্তী সেই চালানেও জাহাজের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ১ লাখ মেট্রিক টন তেল আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বিষয় : ইস্টার্ণ রিফাইনারি তেল শোধনাগার

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
অবশেষে সচল হচ্ছে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ণ রিফাইনারি পিএলসি’। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সৌদি আরব থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের একটি চালান আসায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই পুরোদমে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন চালানের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সক্ষমতায় বড় ধরনের গতি ফিরবে।
ইস্টার্ণ রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) মামুনুর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিকেলের পরপরই তেল শোধনের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে যাবে। তবে শুরুতে কারিগরি কিছু বিষয়ের সমন্বয় করতে হয় বলে প্রথম দিকে দৈনিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন। যন্ত্রপাতির ওপর চাপ কমাতে এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা কয়েক দিনের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
সূত্রমতে, সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৯৪ মেট্রিক টন তেল নিয়ে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি বিশালাকার জাহাজ ইতিমধ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করেছে। সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় এই কাঁচামাল সংগ্রহ করে পরিশোধন কাজ শুরু করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো পূর্ণ সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো।
বর্তমানে যে পরিমাণ তেলের মজুত আছে, তা দিয়ে টানা ২০ থেকে ২৫ দিন শোধনাগারটি চালু রাখা সম্ভব হবে। তবে এর মাঝেই সুখবর হলো, চলতি মাসের ২০ তারিখের পর অপরিশোধিত তেলের আরও একটি বড় চালান দেশে আসার কথা রয়েছে। যদি সৌদি আরবে আগামী ১০ থেকে ১২ মে’র মধ্যে নতুন সেই চালানটি জাহাজে তোলা সম্ভব হয়, তবে সরবরাহে আর কোনো ছেদ পড়বে না বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। পরবর্তী সেই চালানেও জাহাজের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ১ লাখ মেট্রিক টন তেল আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
