জাতীয়
দুই মাসের শুষ্ক সময় শেষে বুধবার দুপুরে প্রায় এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে 'এমটি নাইনেমিয়া' জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে ভিড়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুতুবদিয়া আউটার অ্যাংকারেজে নোঙর করা এই জাহাজটির খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
ইস্টার্ন রিফাইনারির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার জেরে গত মার্চ ও এপ্রিলে কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে আসতে পারেনি। কাঁচামালের এই তীব্র ঘাটতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র শোধনাগারটির কার্যক্রম প্রায় থমকে গিয়েছিল। নতুন এই চালান পৌঁছানোয় জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
রিফাইনারি সূত্র জানায়, জাহাজ থেকে তেল খালাস করতে বেশ কয়েক দিন লেগে যাবে। তারপর ধাপে ধাপে উৎপাদন ইউনিটগুলো সচল করা হবে। আগামী ৯ মে থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে উঠে এসেছে। এর ফলে দেশে ডিজেল, পেট্রলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য বলছে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ—প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ—সরাসরি পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে পূরণ হয়। বাকি ২০ থেকে ২৫ শতাংশ চাহিদা মেটে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের মাধ্যমে। বছরে গড়ে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন ক্রুড অয়েল এখানে প্রক্রিয়াজাত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরবরাহ বিঘ্নে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, নতুন এই চালান আসায় তা অনেকটাই কমে যাবে।
বিষয় : তেল সংকট চট্টগাম বন্দর জ্বালানী সংকট

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
দুই মাসের শুষ্ক সময় শেষে বুধবার দুপুরে প্রায় এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে 'এমটি নাইনেমিয়া' জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে ভিড়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুতুবদিয়া আউটার অ্যাংকারেজে নোঙর করা এই জাহাজটির খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
ইস্টার্ন রিফাইনারির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার জেরে গত মার্চ ও এপ্রিলে কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে আসতে পারেনি। কাঁচামালের এই তীব্র ঘাটতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র শোধনাগারটির কার্যক্রম প্রায় থমকে গিয়েছিল। নতুন এই চালান পৌঁছানোয় জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
রিফাইনারি সূত্র জানায়, জাহাজ থেকে তেল খালাস করতে বেশ কয়েক দিন লেগে যাবে। তারপর ধাপে ধাপে উৎপাদন ইউনিটগুলো সচল করা হবে। আগামী ৯ মে থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে উঠে এসেছে। এর ফলে দেশে ডিজেল, পেট্রলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য বলছে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ—প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ—সরাসরি পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে পূরণ হয়। বাকি ২০ থেকে ২৫ শতাংশ চাহিদা মেটে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের মাধ্যমে। বছরে গড়ে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন ক্রুড অয়েল এখানে প্রক্রিয়াজাত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরবরাহ বিঘ্নে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, নতুন এই চালান আসায় তা অনেকটাই কমে যাবে।
