সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 অর্থনীতিঅর্থনীতি

রেমিট্যান্সের জোয়ার: ৪ দিনেই এল ৪৫ কোটি ডলার

প্রবাসী আয়ে উর্ধ্বমুখী ধারার মধ্য দিয়ে মে মাস শুরু করেছে বাংলাদেশ; বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

রেমিট্যান্সের জোয়ার: ৪ দিনেই এল ৪৫ কোটি ডলার
ছবি- প্রতীকী (এ আই জেনারেটেড)

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তির সুবাতাস ছড়িয়ে মে মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। চলতি মাসের মাত্র প্রথম ৪ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে উঠে এসেছে যে, এই সময়ে দৈনিক গড়ে আয় হয়েছে ১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

মঙ্গলবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেছেন।

বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ও রেকর্ড অর্জন

মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৪ মে পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৯৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে একক অর্থবছরে সর্বোচ্চ আয়ের এক অনন্য রেকর্ড।

মাসভিত্তিক প্রবাহের গতিপ্রকৃতি

চলতি বছরের মার্চ মাস ছিল রেমিট্যান্সের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। ওই মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে, যা একক মাস হিসেবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর পরবর্তী মাস এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে প্রবেশ করেছে।

আগের মাসগুলোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়:

জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।গত ডিসেম্বরে এর পরিমাণ ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।এছাড়া আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ এবং জুলাই মাসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের রেট বৃদ্ধি এবং বৈধ পথে টাকা পাঠানোর সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিশেষজ্ঞরা।

বিষয় : অর্থনীতি বৈদেশিক মুদ্রা মার্কিন ডলার

কাল মহাকাল

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


রেমিট্যান্সের জোয়ার: ৪ দিনেই এল ৪৫ কোটি ডলার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তির সুবাতাস ছড়িয়ে মে মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। চলতি মাসের মাত্র প্রথম ৪ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে উঠে এসেছে যে, এই সময়ে দৈনিক গড়ে আয় হয়েছে ১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

মঙ্গলবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেছেন।

বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ও রেকর্ড অর্জন

মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৪ মে পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৯৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে একক অর্থবছরে সর্বোচ্চ আয়ের এক অনন্য রেকর্ড।

মাসভিত্তিক প্রবাহের গতিপ্রকৃতি

চলতি বছরের মার্চ মাস ছিল রেমিট্যান্সের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। ওই মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এসেছে, যা একক মাস হিসেবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর পরবর্তী মাস এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে প্রবেশ করেছে।

আগের মাসগুলোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়:

জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।গত ডিসেম্বরে এর পরিমাণ ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।এছাড়া আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ এবং জুলাই মাসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের রেট বৃদ্ধি এবং বৈধ পথে টাকা পাঠানোর সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিশেষজ্ঞরা।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত