সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 বিনোদনবিনোদন

তিন দশক পর ফিরছে বল্লু, সঞ্জয়ের ‘খলনায়ক রিটার্নস’ ঘোষণা

কারাগারের অন্ধকারে অঙ্কুরিত ভাবনার বীজ নিয়ে, আধুনিক প্রেক্ষাপটে এক বিশাল অ্যাকশন এন্টারটেইনার হিসেবে বড় পর্দায় ফিরছে ১৯৯৩ সালের আইকনিক চরিত্র বল্লু।

তিন দশক পর ফিরছে বল্লু, সঞ্জয়ের ‘খলনায়ক রিটার্নস’ ঘোষণা
ছবি- প্রতীকী (এ আই জেনারেটেড)

তিন দশকের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও রুপালি পর্দায় গর্জে উঠতে আসছে বলিউডের আইকনিক ‘অ্যান্টি-হিরো’ বল্লু। ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুভাষ ঘাই পরিচালিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়াল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা জানিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং সঞ্জয় দত্ত। ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নামের এই নতুন সিকুয়ালের মাধ্যমে তিনি আবারও তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা চরিত্রে প্রত্যাবর্তন করছেন, যা তাকে বলিউডে অ্যাকশন হিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল। সম্প্রতি সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করে এই বিশাল পরিকল্পনার কথা জনসমক্ষে উন্মোচন করা হয়েছে।

জেলজীবনের ভাবনার বাস্তবায়ন

এই সিক্যুয়েলের পেছনের কাহিনী অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক এবং আবেগঘন। সঞ্জয় দত্ত উত্থাপন করেছেন যে, ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর বীজ বপন করা হয়েছিল তার মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় কারাবাসের দিনগুলোতে। কারাগারের অন্ধকারে নিঃসঙ্গ প্রহরগুলোতে তিনি প্রায়শই বল্লু চরিত্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন। বল্লু জেল থেকে বের হওয়ার ২০-৩০ বছর পর তার জীবনটা কেমন হতে পারে, সেই ভাবনা থেকেই এই নতুন গল্পের সূত্রপাত। শুধু তাই নয়, জেলে থাকার সময় তিনি অন্য বন্দীদের মতামতও নিয়েছিলেন। প্রায় ৪ হাজার বন্দী তাকে এই সিনেমা পুনরায় দেখার আগ্রহ দেখান। তাদের অনুরোধে অনেকেই নতুন খলনায়কের গল্পের ভাবনা এক পৃষ্ঠায় লিখে দিয়েছিলেন সঞ্জয়কে, যে লেখাগুলো তিনি পরে পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের হাতে তুলে দেন। সেই কারাগারের অন্ধকারে অঙ্কুরিত ভাবনার বীজ নিয়েই অবশেষে নির্মিত হতে যাচ্ছে সিনেমাটি।

বিশাল বাজেটে আধুনিক সংস্করণ

‘খলনায়ক রিটার্নস’ সিনেমাটি কেবল একটি সাধারণ সিক্যুয়েল নয়, বরং আধুনিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত এক বিশাল অ্যাকশন এন্টারটেইনার হতে যাচ্ছে বলে জিও স্টুডিওসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সিনেমাটির নির্মাণে যুক্ত হয়েছে একাধিক শক্তিশালী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সুভাষ ঘাইয়ের সংস্থা মুক্তা আর্টস এবং অক্ষ কাম্বোজের অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্টের সাথে হাত মিলিয়েছে বড় পরিসরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিও স্টুডিওস। সঞ্জয় দত্তের নিজস্ব ব্যানারেও সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করা হবে। ইতিমধ্যে সঞ্জয় দত্ত সুভাষ ঘাইয়ের কাছ থেকে সিনেমাটির আইনগত স্বত্ব কিনে নিয়েছেন, যা এই বিশাল প্রজেক্টের যাত্রাকে নিশ্চিত করেছে।

নিজের প্রিয় সিনেমা সম্পর্কে সঞ্জয় দত্ত ব্যক্ত করেছেন, “খলনায়ক আমার খুবই প্রিয় একটি সিনেমা। এখনো সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এই কাহিনী নতুনভাবে ফিরিয়ে আনার ইচ্ছা ছিল অনেক দিনের। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ কিছু তৈরির অপেক্ষায় আছি।” আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এক বিশাল ক্যানভাসে বল্লুর প্রত্যাবর্তনের কাহিনী দেখার জন্য দর্শকরা ইতিমধ্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা শুরু করেছেন। সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশের সাথে সাথেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে, যা এই সিনেমার প্রতি দর্শকদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রমাণ করেছে।

বিষয় : খলনায়ক রিটার্নস বল্লু

কাল মহাকাল

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


তিন দশক পর ফিরছে বল্লু, সঞ্জয়ের ‘খলনায়ক রিটার্নস’ ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

তিন দশকের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও রুপালি পর্দায় গর্জে উঠতে আসছে বলিউডের আইকনিক ‘অ্যান্টি-হিরো’ বল্লু। ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুভাষ ঘাই পরিচালিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়াল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা জানিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং সঞ্জয় দত্ত। ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নামের এই নতুন সিকুয়ালের মাধ্যমে তিনি আবারও তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা চরিত্রে প্রত্যাবর্তন করছেন, যা তাকে বলিউডে অ্যাকশন হিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল। সম্প্রতি সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করে এই বিশাল পরিকল্পনার কথা জনসমক্ষে উন্মোচন করা হয়েছে।

জেলজীবনের ভাবনার বাস্তবায়ন

এই সিক্যুয়েলের পেছনের কাহিনী অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক এবং আবেগঘন। সঞ্জয় দত্ত উত্থাপন করেছেন যে, ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর বীজ বপন করা হয়েছিল তার মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় কারাবাসের দিনগুলোতে। কারাগারের অন্ধকারে নিঃসঙ্গ প্রহরগুলোতে তিনি প্রায়শই বল্লু চরিত্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন। বল্লু জেল থেকে বের হওয়ার ২০-৩০ বছর পর তার জীবনটা কেমন হতে পারে, সেই ভাবনা থেকেই এই নতুন গল্পের সূত্রপাত। শুধু তাই নয়, জেলে থাকার সময় তিনি অন্য বন্দীদের মতামতও নিয়েছিলেন। প্রায় ৪ হাজার বন্দী তাকে এই সিনেমা পুনরায় দেখার আগ্রহ দেখান। তাদের অনুরোধে অনেকেই নতুন খলনায়কের গল্পের ভাবনা এক পৃষ্ঠায় লিখে দিয়েছিলেন সঞ্জয়কে, যে লেখাগুলো তিনি পরে পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের হাতে তুলে দেন। সেই কারাগারের অন্ধকারে অঙ্কুরিত ভাবনার বীজ নিয়েই অবশেষে নির্মিত হতে যাচ্ছে সিনেমাটি।

বিশাল বাজেটে আধুনিক সংস্করণ

‘খলনায়ক রিটার্নস’ সিনেমাটি কেবল একটি সাধারণ সিক্যুয়েল নয়, বরং আধুনিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত এক বিশাল অ্যাকশন এন্টারটেইনার হতে যাচ্ছে বলে জিও স্টুডিওসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সিনেমাটির নির্মাণে যুক্ত হয়েছে একাধিক শক্তিশালী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সুভাষ ঘাইয়ের সংস্থা মুক্তা আর্টস এবং অক্ষ কাম্বোজের অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্টের সাথে হাত মিলিয়েছে বড় পরিসরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিও স্টুডিওস। সঞ্জয় দত্তের নিজস্ব ব্যানারেও সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করা হবে। ইতিমধ্যে সঞ্জয় দত্ত সুভাষ ঘাইয়ের কাছ থেকে সিনেমাটির আইনগত স্বত্ব কিনে নিয়েছেন, যা এই বিশাল প্রজেক্টের যাত্রাকে নিশ্চিত করেছে।

নিজের প্রিয় সিনেমা সম্পর্কে সঞ্জয় দত্ত ব্যক্ত করেছেন, “খলনায়ক আমার খুবই প্রিয় একটি সিনেমা। এখনো সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এই কাহিনী নতুনভাবে ফিরিয়ে আনার ইচ্ছা ছিল অনেক দিনের। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ কিছু তৈরির অপেক্ষায় আছি।” আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এক বিশাল ক্যানভাসে বল্লুর প্রত্যাবর্তনের কাহিনী দেখার জন্য দর্শকরা ইতিমধ্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা শুরু করেছেন। সিনেমাটির ফার্স্ট লুক প্রকাশের সাথে সাথেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে, যা এই সিনেমার প্রতি দর্শকদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রমাণ করেছে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত