বানিজ্য
চামড়া শিল্পের ঝিমিয়ে পড়া দিনগুলো কাটিয়ে একে আবার আগের মতো প্রাণবন্ত ও লাভজনক করে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক বিশেষ বৈঠকে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের চামড়া খাতের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় ইতিমধ্যে বেশ কিছু বড় প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চামড়া শিল্প রক্ষা এবং পশুর চামড়ার সঠিক দাম নিশ্চিত করার দাবি নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল। মহাসচিব ড. গোলাম মুহি উদ্দিন ইকরামের নেতৃত্বে এই বৈঠকে অংশ নেন সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম। আলোচনায় উঠে আসে দেশের চামড়া বাজারের বর্তমান স্থবিরতা এবং তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের বঞ্চনার কথা।
উলামাদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, “আমরা কেবল বর্তমান সংকট সামাল দেওয়া নয়, বরং চামড়ার নতুন ও টেকসই বাজার সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।” কোরবানির চামড়ার দাম নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে উৎকণ্ঠা রয়েছে, তা স্বীকার করে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। মন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, সরকারের বর্তমান পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চামড়া শিল্পে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা মুফতি আরিফ বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন খানসহ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি চামড়া শিল্পের সুরক্ষায় মন্ত্রীর কাছে তাদের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ও দাবি তুলে ধরেন। আলোচনার শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী পুনরায় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে চামড়া খাতের অবদান আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
চামড়া শিল্পের ঝিমিয়ে পড়া দিনগুলো কাটিয়ে একে আবার আগের মতো প্রাণবন্ত ও লাভজনক করে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক বিশেষ বৈঠকে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের চামড়া খাতের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় ইতিমধ্যে বেশ কিছু বড় প্রকল্প ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চামড়া শিল্প রক্ষা এবং পশুর চামড়ার সঠিক দাম নিশ্চিত করার দাবি নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল। মহাসচিব ড. গোলাম মুহি উদ্দিন ইকরামের নেতৃত্বে এই বৈঠকে অংশ নেন সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম। আলোচনায় উঠে আসে দেশের চামড়া বাজারের বর্তমান স্থবিরতা এবং তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের বঞ্চনার কথা।
উলামাদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, “আমরা কেবল বর্তমান সংকট সামাল দেওয়া নয়, বরং চামড়ার নতুন ও টেকসই বাজার সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।” কোরবানির চামড়ার দাম নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে উৎকণ্ঠা রয়েছে, তা স্বীকার করে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। মন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, সরকারের বর্তমান পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চামড়া শিল্পে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা মুফতি আরিফ বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন খানসহ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি চামড়া শিল্পের সুরক্ষায় মন্ত্রীর কাছে তাদের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ও দাবি তুলে ধরেন। আলোচনার শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী পুনরায় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে চামড়া খাতের অবদান আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
