রাজনীতি
দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, চলতি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিশাল এই নির্বাচনযজ্ঞ সম্পূর্ণ শেষ করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। একইসঙ্গে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তর 'উপজেলা পরিষদ' বাতিল করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান।
নির্বাচনের সময়সীমা ব্যাখ্যা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, "মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজের প্রয়োজন রয়েছে। এ বছরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও তা ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।" উপজেলা পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তৃণমূলের প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী রাখতে এই পরিষদ বহাল থাকছে।
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ এবং শিশুমৃত্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, এ পর্যন্ত হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে ৩১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। উপদেষ্টা বলেন, "ইতোমধ্যেই ১ কোটি ৬১ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে এবং ভবিষ্যতে টিকার কোনো সংকট হবে না।" শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, দেশে এখনও জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে আছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে কোনো সাংবাদিক যেন অন্যায়ভাবে কারাগারে না থাকেন, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে।
আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুম নিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এবার প্রকোপ সেভাবে বাড়বে না। তবে তিনি দেশবাসীকে সচেতন ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "ভারতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিক সম্পর্কে তার কোনো প্রভাব পড়বে না।"

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, চলতি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিশাল এই নির্বাচনযজ্ঞ সম্পূর্ণ শেষ করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। একইসঙ্গে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তর 'উপজেলা পরিষদ' বাতিল করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান।
নির্বাচনের সময়সীমা ব্যাখ্যা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, "মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজের প্রয়োজন রয়েছে। এ বছরের শেষ দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও তা ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।" উপজেলা পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তৃণমূলের প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী রাখতে এই পরিষদ বহাল থাকছে।
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ এবং শিশুমৃত্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, এ পর্যন্ত হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে ৩১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। উপদেষ্টা বলেন, "ইতোমধ্যেই ১ কোটি ৬১ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে এবং ভবিষ্যতে টিকার কোনো সংকট হবে না।" শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, দেশে এখনও জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে আছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে কোনো সাংবাদিক যেন অন্যায়ভাবে কারাগারে না থাকেন, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে।
আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুম নিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এবার প্রকোপ সেভাবে বাড়বে না। তবে তিনি দেশবাসীকে সচেতন ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "ভারতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিক সম্পর্কে তার কোনো প্রভাব পড়বে না।"
