রাজনীতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে বইতে শুরু করেছে পরিবর্তনের হাওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ বর্তমান কমিটি ভেঙে দিয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী এই সহযোগী সংগঠনকে। যোগ্য, ত্যাগী এবং তরুণ নেতৃত্বের হাতে সংগঠনের ব্যাটন তুলে দিতে আগামী ৯ মে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক ইউনিটের শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় তলব করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য এই মতবিনিময় সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসবে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
২০২৪ সালের মার্চে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত মাসের শুরুতে এই কমিটির দুই বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠন এখন সময়ের দাবি।
সম্প্রতি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক এবার আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগী অথচ বিগত দিনে নেতৃত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া নেতাদের এবারের নতুন কমিটিতে মূল্যায়ন করা হতে পারে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, বর্তমান কমিটির 'সুপার ফাইভ'-এ থাকা নেতাদের অনেকেই পরবর্তী কমিটিতে স্থান নাও পেতে পারেন। তেমনটি হলে একঝাঁক নতুন ও উদ্যমী নেতা নেতৃত্বে আসার সুযোগ পাবেন। বর্তমানে ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদের লড়াইয়ে আলোচনায় রয়েছেন একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন—
শ্যামল মালুম, আমান উল্লাহ আমান, মো. খোরশেদ আলম সোহেল, সালেহ মো. আদনান, এসএম আবু জাফর, শরীফ প্রধান শুভ, মনজুরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল, মোস্তাফিজুর রহমান, মমিনুল ইসলাম জিসান, ফারুক হোসেন, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, আজিজুল হক জিয়ন এবং ডা. আউয়াল।
বিএনপির হাইকমান্ড মনে করছে, আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা তরুণদের দায়িত্ব দিলে সংগঠনগুলো আরও গতিশীল হবে। বঞ্চিতদের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ দূর করার পাশাপাশি আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী ভ্যানগার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।
৯ মের এই মতবিনিময় সভার পরই মূলত ছাত্রদলের আগামী দিনের নেতৃত্বের বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে। নেতৃত্বের এই রদবদল কেবল ছাত্রদলই নয়, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কাঠামোতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে বইতে শুরু করেছে পরিবর্তনের হাওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ বর্তমান কমিটি ভেঙে দিয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী এই সহযোগী সংগঠনকে। যোগ্য, ত্যাগী এবং তরুণ নেতৃত্বের হাতে সংগঠনের ব্যাটন তুলে দিতে আগামী ৯ মে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক ইউনিটের শীর্ষ নেতাদের ঢাকায় তলব করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য এই মতবিনিময় সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসবে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
২০২৪ সালের মার্চে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত মাসের শুরুতে এই কমিটির দুই বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠন এখন সময়ের দাবি।
সম্প্রতি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক এবার আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগী অথচ বিগত দিনে নেতৃত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া নেতাদের এবারের নতুন কমিটিতে মূল্যায়ন করা হতে পারে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, বর্তমান কমিটির 'সুপার ফাইভ'-এ থাকা নেতাদের অনেকেই পরবর্তী কমিটিতে স্থান নাও পেতে পারেন। তেমনটি হলে একঝাঁক নতুন ও উদ্যমী নেতা নেতৃত্বে আসার সুযোগ পাবেন। বর্তমানে ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদের লড়াইয়ে আলোচনায় রয়েছেন একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন—
শ্যামল মালুম, আমান উল্লাহ আমান, মো. খোরশেদ আলম সোহেল, সালেহ মো. আদনান, এসএম আবু জাফর, শরীফ প্রধান শুভ, মনজুরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল, মোস্তাফিজুর রহমান, মমিনুল ইসলাম জিসান, ফারুক হোসেন, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, আজিজুল হক জিয়ন এবং ডা. আউয়াল।
বিএনপির হাইকমান্ড মনে করছে, আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা তরুণদের দায়িত্ব দিলে সংগঠনগুলো আরও গতিশীল হবে। বঞ্চিতদের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ দূর করার পাশাপাশি আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী ভ্যানগার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।
৯ মের এই মতবিনিময় সভার পরই মূলত ছাত্রদলের আগামী দিনের নেতৃত্বের বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে। নেতৃত্বের এই রদবদল কেবল ছাত্রদলই নয়, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কাঠামোতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
