খেলা
লা লিগার শিরোপা জয়ের পথে বার্সেলোনার রাজকীয় পথচলা কিছুটা প্রলম্বিত করল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। এস্পানিওলের মাঠে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের গাণিতিক সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার ক্ষণ অন্তত আরও এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও প্রথমার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি লস ব্লাঙ্কোসরা। বেশ কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হলেও গোলহীনভাবেই বিরতিতে যেতে হয় তাদের। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে হতাশ হতে হয় সমর্থকদের। তবে অন্যপ্রান্তে গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন অতন্দ্র প্রহরীর মতো গোলপোস্ট আগলে রেখে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন, যা মাদ্রিদ শিবিরের স্বস্তি বজায় রাখে।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় মাদ্রিদ। অবশেষে ৫৫তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তরুণ তুর্কি গনসালো গার্সিয়ার সাথে চমৎকার বোঝাপড়ায় বক্সের ভেতর জায়গা করে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া এস্পানিওলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ভিনিসিয়ুস নিজেই। ৬৬তম মিনিটে জুড বেলিংহামের নিখুঁত পাস থেকে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ও দলের জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।
৩৪ ম্যাচ শেষে বর্তমানে বার্সেলোনার সংগ্রহ ৮৮ পয়েন্ট এবং রিয়াল মাদ্রিদের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৭৭ পয়েন্ট। ১১ পয়েন্টের এই ব্যবধান ঘুচিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেওয়া রিয়ালের জন্য প্রায় অসম্ভব হলেও, এদিনের জয়টি ছিল মূলত বার্সার উৎসব বিলম্বিত করার কৌশল। ওসাসুনার বিপক্ষে বার্সার জয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নিপুণভাবে সামলে নিয়েছে আনচেলত্তির দল।
এখন ফুটবল বিশ্বের সব চোখ আগামী ১০ মে’র মহরণ ‘এল ক্লাসিকো’র দিকে। সেই মহারণে অন্তত একটি ড্র করতে পারলেই নিজেদের ২৯তম লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলবে কাতালানরা।
অন্যদিকে, এই হারের ফলে এস্পানিওলের আগামী মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলার যে ক্ষীণ আশা ছিল, তা সমূলে উৎপাটন হলো। ২০২৬ সালে এখনো জয়ের স্বাদ না পাওয়া দলটি নতুন বছরে ১৬ ম্যাচে ১০টি হার ও ৬টি ড্র নিয়ে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তাদের অবস্থান ও ফর্ম সমর্থকদের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
লা লিগার শিরোপা জয়ের পথে বার্সেলোনার রাজকীয় পথচলা কিছুটা প্রলম্বিত করল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। এস্পানিওলের মাঠে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের গাণিতিক সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার ক্ষণ অন্তত আরও এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও প্রথমার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি লস ব্লাঙ্কোসরা। বেশ কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হলেও গোলহীনভাবেই বিরতিতে যেতে হয় তাদের। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে হতাশ হতে হয় সমর্থকদের। তবে অন্যপ্রান্তে গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন অতন্দ্র প্রহরীর মতো গোলপোস্ট আগলে রেখে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন, যা মাদ্রিদ শিবিরের স্বস্তি বজায় রাখে।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় মাদ্রিদ। অবশেষে ৫৫তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তরুণ তুর্কি গনসালো গার্সিয়ার সাথে চমৎকার বোঝাপড়ায় বক্সের ভেতর জায়গা করে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া এস্পানিওলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ভিনিসিয়ুস নিজেই। ৬৬তম মিনিটে জুড বেলিংহামের নিখুঁত পাস থেকে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ও দলের জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।
৩৪ ম্যাচ শেষে বর্তমানে বার্সেলোনার সংগ্রহ ৮৮ পয়েন্ট এবং রিয়াল মাদ্রিদের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৭৭ পয়েন্ট। ১১ পয়েন্টের এই ব্যবধান ঘুচিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেওয়া রিয়ালের জন্য প্রায় অসম্ভব হলেও, এদিনের জয়টি ছিল মূলত বার্সার উৎসব বিলম্বিত করার কৌশল। ওসাসুনার বিপক্ষে বার্সার জয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নিপুণভাবে সামলে নিয়েছে আনচেলত্তির দল।
এখন ফুটবল বিশ্বের সব চোখ আগামী ১০ মে’র মহরণ ‘এল ক্লাসিকো’র দিকে। সেই মহারণে অন্তত একটি ড্র করতে পারলেই নিজেদের ২৯তম লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলবে কাতালানরা।
অন্যদিকে, এই হারের ফলে এস্পানিওলের আগামী মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলার যে ক্ষীণ আশা ছিল, তা সমূলে উৎপাটন হলো। ২০২৬ সালে এখনো জয়ের স্বাদ না পাওয়া দলটি নতুন বছরে ১৬ ম্যাচে ১০টি হার ও ৬টি ড্র নিয়ে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তাদের অবস্থান ও ফর্ম সমর্থকদের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
