প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান
ইরান যুদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান দীর্ঘমেয়াদি দ্বন্দ্ব নিরসনে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইরান এক নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব পেশ করেছে। এই প্রস্তাবে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে কেবল দীর্ঘায়িত না করে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধানের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তেহরানের এই পদক্ষেপকে আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। খবরে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের দেওয়া ৯ দফার পাল্টা হিসেবে তেহরান এই ১৪ দফার নতুন প্রস্তাবনাটি উত্থাপন করেছে। এই প্রস্তাবনার মূল সুর হলো সাময়িক স্বস্তির বদলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনয়ন।
তেহরানের এই ১৪ দফা প্রস্তাবে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার, দীর্ঘদিন ধরে চলা নৌ-অবরোধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার। এছাড়া, লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানসহ সব ধরনের শত্রুতা ও উস্কানিমূলক তৎপরতা বন্ধের শর্তও এই প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান আলোচনার টেবিলে একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি প্রাথমিক প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিলেন। তবে এই কূটনৈতিক ধাক্কা সত্তেও দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। এরই ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে গত তিন সপ্তাহ ধরে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখনো টিকে আছে, যা চূড়ান্ত সমাধানের একটি ক্ষীণ আশা জিইয়ে রেখেছে।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করেছে ইরান। গত রবিবার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোনে বিস্তারিত কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য, বর্তমান বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে জটিল আলোচনার মধ্যস্থতা করে আসছিল ওমান। নতুন করে ওমানের এই সক্রিয়তা কোনো বড় ধরনের সমঝোতার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে।
বিষয় : ইরান যুদ্ধ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান দীর্ঘমেয়াদি দ্বন্দ্ব নিরসনে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইরান এক নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব পেশ করেছে। এই প্রস্তাবে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে কেবল দীর্ঘায়িত না করে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধানের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তেহরানের এই পদক্ষেপকে আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। খবরে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের দেওয়া ৯ দফার পাল্টা হিসেবে তেহরান এই ১৪ দফার নতুন প্রস্তাবনাটি উত্থাপন করেছে। এই প্রস্তাবনার মূল সুর হলো সাময়িক স্বস্তির বদলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনয়ন।
তেহরানের এই ১৪ দফা প্রস্তাবে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার, দীর্ঘদিন ধরে চলা নৌ-অবরোধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার। এছাড়া, লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানসহ সব ধরনের শত্রুতা ও উস্কানিমূলক তৎপরতা বন্ধের শর্তও এই প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান আলোচনার টেবিলে একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি প্রাথমিক প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিলেন। তবে এই কূটনৈতিক ধাক্কা সত্তেও দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। এরই ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে গত তিন সপ্তাহ ধরে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখনো টিকে আছে, যা চূড়ান্ত সমাধানের একটি ক্ষীণ আশা জিইয়ে রেখেছে।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করেছে ইরান। গত রবিবার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোনে বিস্তারিত কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য, বর্তমান বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে জটিল আলোচনার মধ্যস্থতা করে আসছিল ওমান। নতুন করে ওমানের এই সক্রিয়তা কোনো বড় ধরনের সমঝোতার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে।
