জাতীয়
তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মেটাতে নতুন আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তিস্তায় পানি সংরক্ষণের জন্য আরও একটি ব্যারেজ নির্মাণের কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক একটি বড় মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের কাজ করার প্রস্তাব রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পাবনা মানসিক হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক মানের একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের কাজ চলছে। তিনি জানান, দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় ৬ হাজার ৩৫৯টি পদ খালি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব শূন্যপদ পূরণে সরকার কাজ করছে। হামের প্রাদুর্ভাব রোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকারের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকার ওপর চাপ কমাতে রিং রোড, রেডিয়াল নেটওয়ার্ক এবং যানজট নিরসনে বিভিন্ন ইন্টারসেকশনে প্রয়োজনীয় স্ট্রাকচার তৈরি করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেলপথে যাতায়াত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব করতে প্রধান রুটগুলোতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ বা নদী-জলাধারের পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
হজযাত্রীদের জন্য সুখবর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরগুলোতে হজের খরচ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ২০২৬ সালে হজের খরচ কমানোর ইতিবাচক প্রভাব হজযাত্রীরা পেয়েছেন। ২০২৭ সালের প্যাকেজ মূল্য যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। এছাড়া দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে আরও গতিশীল করার ওপরও জোর দেন সরকারপ্রধান।
2.png)
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মেটাতে নতুন আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তিস্তায় পানি সংরক্ষণের জন্য আরও একটি ব্যারেজ নির্মাণের কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক একটি বড় মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের কাজ করার প্রস্তাব রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পাবনা মানসিক হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক মানের একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের কাজ চলছে। তিনি জানান, দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় ৬ হাজার ৩৫৯টি পদ খালি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব শূন্যপদ পূরণে সরকার কাজ করছে। হামের প্রাদুর্ভাব রোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকারের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকার ওপর চাপ কমাতে রিং রোড, রেডিয়াল নেটওয়ার্ক এবং যানজট নিরসনে বিভিন্ন ইন্টারসেকশনে প্রয়োজনীয় স্ট্রাকচার তৈরি করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেলপথে যাতায়াত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব করতে প্রধান রুটগুলোতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ বা নদী-জলাধারের পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
হজযাত্রীদের জন্য সুখবর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরগুলোতে হজের খরচ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ২০২৬ সালে হজের খরচ কমানোর ইতিবাচক প্রভাব হজযাত্রীরা পেয়েছেন। ২০২৭ সালের প্যাকেজ মূল্য যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। এছাড়া দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে আরও গতিশীল করার ওপরও জোর দেন সরকারপ্রধান।
2.png)