লোকাল ফোকাস
নোয়াখালীর চাটখিল পৌর যুবদল নেতার নেতৃত্বে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করে দিলেন উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বেগ সড়কের চাটখিল পৌর শহরের আহমদ বেপারি বাড়ির সামনে রাস্তার পূর্ব পাশে সরকারি গাছ কাটতে শুরু করেন কয়েকজন শ্রমিক। গাছ কাটার বিষয়ে শ্রমিকদের কাছে চাইলে তারা জানান, পৌর যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন সুমনের নির্দেশে তারা গাছ কাটছেন।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পৌর যুবদলের সেক্রেটারি পরিচয় দিয়ে গিয়াস উদ্দিন সুমন নামের এক ব্যক্তি ইউএনও'র অনুমতিতে গাছ কাটছেন বলে তাঁকে ফোনে জানিয়েছেন। তবে, ইউএনও এমন কোনো অনুমতি দিতে পারেন না এবং দেননি জানিয়ে বলেন, গাছ কাটা বন্ধে তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পরবর্তীতে উপজেলা বন কর্মকর্তার কঠোর নির্দেশনায় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন সুমন ও তার সহযোগী আবুল বাসার মন্টু এবং নুর হোসেন মানিক গাছ কাটা বন্ধ করে শ্রমিকদের সরিয়ে নেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, সড়কের পাশে সরকারি গাছ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সৃষ্টি করলে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান লিখিত আবেদন দিলে সরেজমিনে তদন্ত করে আমরা তদন্ত প্রতিবেদনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ জানাতে পারি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে গাছের ডালপালা কিংবা গাছ কাটা যাবে। এর বাইরে সরকারি গাছ কাটার কোনো সুযোগ নেই। তিনি, সরকারি সম্পদ রক্ষায় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
বিষয় : চাটখিল সরকারি গাছ কাটা
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালীর চাটখিল পৌর যুবদল নেতার নেতৃত্বে অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করে দিলেন উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বেগ সড়কের চাটখিল পৌর শহরের আহমদ বেপারি বাড়ির সামনে রাস্তার পূর্ব পাশে সরকারি গাছ কাটতে শুরু করেন কয়েকজন শ্রমিক। গাছ কাটার বিষয়ে শ্রমিকদের কাছে চাইলে তারা জানান, পৌর যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন সুমনের নির্দেশে তারা গাছ কাটছেন।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পৌর যুবদলের সেক্রেটারি পরিচয় দিয়ে গিয়াস উদ্দিন সুমন নামের এক ব্যক্তি ইউএনও'র অনুমতিতে গাছ কাটছেন বলে তাঁকে ফোনে জানিয়েছেন। তবে, ইউএনও এমন কোনো অনুমতি দিতে পারেন না এবং দেননি জানিয়ে বলেন, গাছ কাটা বন্ধে তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পরবর্তীতে উপজেলা বন কর্মকর্তার কঠোর নির্দেশনায় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন সুমন ও তার সহযোগী আবুল বাসার মন্টু এবং নুর হোসেন মানিক গাছ কাটা বন্ধ করে শ্রমিকদের সরিয়ে নেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, সড়কের পাশে সরকারি গাছ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সৃষ্টি করলে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান লিখিত আবেদন দিলে সরেজমিনে তদন্ত করে আমরা তদন্ত প্রতিবেদনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ জানাতে পারি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে গাছের ডালপালা কিংবা গাছ কাটা যাবে। এর বাইরে সরকারি গাছ কাটার কোনো সুযোগ নেই। তিনি, সরকারি সম্পদ রক্ষায় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
2.png)