লোকাল ফোকাস
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে ৭ হাজার পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট আজ শনিবার জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে একটি বড় মাদকের চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায় এবং তল্লাশি অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলে রেখে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে প্যাক করা অবস্থায় ৭,০০০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয় টহলদল।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানান, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ২১ লাখ টাকা। পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট প্রচলিত নিয়মানুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর অথবা ধ্বংসকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুবসমাজ ও দেশকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে সীমান্ত এলাকায় ১৫ বিজিবির এই কঠোর নজরদারি ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে ৭ হাজার পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট আজ শনিবার জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে একটি বড় মাদকের চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায় এবং তল্লাশি অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলে রেখে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে প্যাক করা অবস্থায় ৭,০০০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয় টহলদল।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানান, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ২১ লাখ টাকা। পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট প্রচলিত নিয়মানুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর অথবা ধ্বংসকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুবসমাজ ও দেশকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে সীমান্ত এলাকায় ১৫ বিজিবির এই কঠোর নজরদারি ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
2.png)