আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামরিক জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তাঁর মতে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভাজন থাকলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।
শনিবার (৮ আগস্ট) পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। সৌদি আরব ও তুরস্ককে ঘিরে নতুন সামরিক জোট গঠনের খবর প্রকাশের এক দিন পরই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এলো। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
অনুষ্ঠানে খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েল নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। এ বিষয়ে তাঁর কোনো দ্বিমত নেই। তিনি বলেন, ইসরায়েলকে মোকাবিলায় বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর একটি সমন্বিত সামরিক জোট গঠন করা প্রয়োজন।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পাকিস্তানের এই মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, ইসরায়েল ব্রিটিশ সরকারের ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার পরিণতিতে তৈরি হয়েছে। ১৯৪০-এর দশকে গঠিত এই রাষ্ট্র পরবর্তী সময়ে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েল শুধু ফিলিস্তিনিদের জন্য নয়, ওই অঞ্চলের যেকোনো দেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাঁর বক্তব্যে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক নীতি নিয়েও উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও দেশটির প্রতি তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন আসবে না বলেও মন্তব্য করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। চলতি বছরের সাধারণ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন, ইসরায়েলের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।
জেরুজালেমের ক্ষমতায় নাফতালি বেনেট কিংবা অন্য কোনো নেতা এলেও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে পার্থক্য খুব বেশি হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলিদের অবস্থান এবং ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব নিয়েও অভিযোগ করেন খাজা আসিফ। তাঁর দাবি, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরিতে ইসরায়েল ভূমিকা রাখছে এবং এক মুসলিম দেশকে আরেক মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে।
বিষয় : ইসরায়েল পাকিস্তান সামরিক জোট
2.png)
রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামরিক জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তাঁর মতে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভাজন থাকলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।
শনিবার (৮ আগস্ট) পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। সৌদি আরব ও তুরস্ককে ঘিরে নতুন সামরিক জোট গঠনের খবর প্রকাশের এক দিন পরই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এলো। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
অনুষ্ঠানে খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েল নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। এ বিষয়ে তাঁর কোনো দ্বিমত নেই। তিনি বলেন, ইসরায়েলকে মোকাবিলায় বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর একটি সমন্বিত সামরিক জোট গঠন করা প্রয়োজন।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পাকিস্তানের এই মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, ইসরায়েল ব্রিটিশ সরকারের ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার পরিণতিতে তৈরি হয়েছে। ১৯৪০-এর দশকে গঠিত এই রাষ্ট্র পরবর্তী সময়ে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েল শুধু ফিলিস্তিনিদের জন্য নয়, ওই অঞ্চলের যেকোনো দেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাঁর বক্তব্যে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক নীতি নিয়েও উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও দেশটির প্রতি তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন আসবে না বলেও মন্তব্য করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। চলতি বছরের সাধারণ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন, ইসরায়েলের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।
জেরুজালেমের ক্ষমতায় নাফতালি বেনেট কিংবা অন্য কোনো নেতা এলেও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে পার্থক্য খুব বেশি হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলিদের অবস্থান এবং ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব নিয়েও অভিযোগ করেন খাজা আসিফ। তাঁর দাবি, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরিতে ইসরায়েল ভূমিকা রাখছে এবং এক মুসলিম দেশকে আরেক মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে।
2.png)