আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চাকরি হারানোর পর নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার জন্য এইচ-ওয়ানবি ও কয়েকটি অন্যান্য কর্মভিসায় থাকা বিদেশিদের যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়, তা বাতিলের প্রস্তাব বিবেচনা করছে মার্কিন সরকার। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এটি কার্যকর হলে চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেকটাই সংকুচিত হবে।
বর্তমান ব্যবস্থায় কোনো কর্মী চাকরি হারালে নির্দিষ্ট শর্তে সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে নতুন চাকরি খোঁজা বা অভিবাসন-সংক্রান্ত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পান। এই সময়সীমা ২০১৬ সালের একটি বিধির মাধ্যমে তৈরি হয় এবং ২০১৭ সালের শুরুতে কার্যকর হয়। শুধু এইচ-ওয়ানবি নয়, ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ ও টিএনসহ কয়েকটি শ্রেণির অস্থায়ী কর্মভিসা এবং তাঁদের নির্ভরশীলদের ক্ষেত্রেও এই সুরক্ষা প্রযোজ্য।
এখন মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএস এই সুযোগ তুলে দেওয়ার বিষয়ে এগোচ্ছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত হওয়ার পর এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হয়ে জনমত নেওয়ার পর্যায়ে যাবে। ফলে এখনই নিয়ম পরিবর্তন হয়ে গেছে—এমনটা বলা ঠিক হবে না।
তবে প্রস্তাবটি কার্যকর হলে এর প্রভাব হবে তাৎপর্যপূর্ণ। চাকরি হারানো একজন এইচ-ওয়ানবি কর্মীর জন্য নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় অত্যন্ত কমে যাবে। বর্তমান ৬০ দিনের সুরক্ষা না থাকলে চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বৈধ অবস্থান নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার হাজার পরিবারের ভবিষ্যৎ। এইচ-ওয়ানবি কর্মীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাঁদের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের অবস্থানও প্রধান কর্মীর ভিসা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে একজনের চাকরি হারানোর প্রভাব শুধু তাঁর নিজের ওপর নয়, পুরো পরিবারের ওপর পড়তে পারে।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসছে ভারতীয় পেশাজীবীদের বিষয়টি। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বা ইউএসসিআইএসের সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-ওয়ানবি আবেদনের সুবিধাভোগীদের ৭১ শতাংশই ভারতের জন্মগ্রহণকারী। চীন ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে, প্রায় ১২ শতাংশ নিয়ে।
এই পরিসংখ্যানই দেখিয়ে দেয়, নিয়ম পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব কেন ভারতীয় প্রযুক্তি ও পেশাজীবী মহলে এতটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, পরামর্শক ও অন্যান্য উচ্চদক্ষতার পেশায় ভারতীয় কর্মীদের উপস্থিতি দীর্ঘদিনের। ফলে চাকরি হারানোর পর নতুন সুযোগ খোঁজার সময়সীমা কমে গেলে তাঁদের ওপর চাপ তুলনামূলক বেশি পড়তে পারে।
তবে বিষয়টিকে শুধু ভারতীয়দের সমস্যা হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এইচ-ওয়ানবি ব্যবস্থা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা ও অন্যান্য বিশেষায়িত খাতে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। মার্কিন কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নিয়োগ করে আসছে।
এ কারণে নতুন বিধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী মহলেও প্রশ্ন উঠতে পারে। একটি কোম্পানির কোনো এইচ-ওয়ানবি কর্মী হঠাৎ চাকরি হারালে তাঁকে দ্রুত নতুন নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তর করার সুযোগ না থাকলে কর্মী ও নিয়োগকর্তা—দুই পক্ষের জন্যই অনিশ্চয়তা বাড়বে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক দক্ষ জনবল যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে কতটা আগ্রহী থাকবে, সেটিও নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি অভিবাসন ব্যবস্থার কঠোর নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর নীতির অংশ। ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী অভিবাসন শ্রেণির ওপর যাচাই-বাছাই এবং নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এইচ-ওয়ানবি কর্মীদের ৬০ দিনের সুযোগ বাতিলের উদ্যোগও সেই বৃহত্তর নীতির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে প্রস্তাবটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ৬০ দিনের সুযোগ পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে, নাকি বিশেষ পরিস্থিতিতে সীমিত সময় বা প্রশাসনিক ছাড় রাখার ব্যবস্থা থাকবে—চূড়ান্ত বিধি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তা পরিষ্কার নয়।
আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ একেবারে বন্ধ করে দিলে দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ ও ধরে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে কর্মী পরিবর্তনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং প্রকল্পভিত্তিক নিয়োগের সঙ্গে এমন কঠোর অভিবাসন বিধির সংঘাত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই প্রস্তাবটি শুধু ভিসার একটি নিয়ম পরিবর্তনের বিষয় নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক দক্ষ জনবলের প্রবাহ এবং দেশটির অভিবাসন নীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার সঙ্গেও যুক্ত। এখন নজর থাকবে ডিএইচএসের চূড়ান্ত প্রস্তাব এবং পরবর্তী জনমত গ্রহণ প্রক্রিয়ার দিকে।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকা ভিসা
2.png)
রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চাকরি হারানোর পর নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার জন্য এইচ-ওয়ানবি ও কয়েকটি অন্যান্য কর্মভিসায় থাকা বিদেশিদের যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়, তা বাতিলের প্রস্তাব বিবেচনা করছে মার্কিন সরকার। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এটি কার্যকর হলে চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেকটাই সংকুচিত হবে।
বর্তমান ব্যবস্থায় কোনো কর্মী চাকরি হারালে নির্দিষ্ট শর্তে সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে নতুন চাকরি খোঁজা বা অভিবাসন-সংক্রান্ত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পান। এই সময়সীমা ২০১৬ সালের একটি বিধির মাধ্যমে তৈরি হয় এবং ২০১৭ সালের শুরুতে কার্যকর হয়। শুধু এইচ-ওয়ানবি নয়, ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ ও টিএনসহ কয়েকটি শ্রেণির অস্থায়ী কর্মভিসা এবং তাঁদের নির্ভরশীলদের ক্ষেত্রেও এই সুরক্ষা প্রযোজ্য।
এখন মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএস এই সুযোগ তুলে দেওয়ার বিষয়ে এগোচ্ছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত হওয়ার পর এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হয়ে জনমত নেওয়ার পর্যায়ে যাবে। ফলে এখনই নিয়ম পরিবর্তন হয়ে গেছে—এমনটা বলা ঠিক হবে না।
তবে প্রস্তাবটি কার্যকর হলে এর প্রভাব হবে তাৎপর্যপূর্ণ। চাকরি হারানো একজন এইচ-ওয়ানবি কর্মীর জন্য নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় অত্যন্ত কমে যাবে। বর্তমান ৬০ দিনের সুরক্ষা না থাকলে চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বৈধ অবস্থান নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার হাজার পরিবারের ভবিষ্যৎ। এইচ-ওয়ানবি কর্মীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাঁদের স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের অবস্থানও প্রধান কর্মীর ভিসা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে একজনের চাকরি হারানোর প্রভাব শুধু তাঁর নিজের ওপর নয়, পুরো পরিবারের ওপর পড়তে পারে।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসছে ভারতীয় পেশাজীবীদের বিষয়টি। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বা ইউএসসিআইএসের সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-ওয়ানবি আবেদনের সুবিধাভোগীদের ৭১ শতাংশই ভারতের জন্মগ্রহণকারী। চীন ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে, প্রায় ১২ শতাংশ নিয়ে।
এই পরিসংখ্যানই দেখিয়ে দেয়, নিয়ম পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব কেন ভারতীয় প্রযুক্তি ও পেশাজীবী মহলে এতটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, পরামর্শক ও অন্যান্য উচ্চদক্ষতার পেশায় ভারতীয় কর্মীদের উপস্থিতি দীর্ঘদিনের। ফলে চাকরি হারানোর পর নতুন সুযোগ খোঁজার সময়সীমা কমে গেলে তাঁদের ওপর চাপ তুলনামূলক বেশি পড়তে পারে।
তবে বিষয়টিকে শুধু ভারতীয়দের সমস্যা হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এইচ-ওয়ানবি ব্যবস্থা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসেবা, গবেষণা ও অন্যান্য বিশেষায়িত খাতে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। মার্কিন কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নিয়োগ করে আসছে।
এ কারণে নতুন বিধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী মহলেও প্রশ্ন উঠতে পারে। একটি কোম্পানির কোনো এইচ-ওয়ানবি কর্মী হঠাৎ চাকরি হারালে তাঁকে দ্রুত নতুন নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তর করার সুযোগ না থাকলে কর্মী ও নিয়োগকর্তা—দুই পক্ষের জন্যই অনিশ্চয়তা বাড়বে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক দক্ষ জনবল যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে কতটা আগ্রহী থাকবে, সেটিও নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি অভিবাসন ব্যবস্থার কঠোর নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর নীতির অংশ। ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী অভিবাসন শ্রেণির ওপর যাচাই-বাছাই এবং নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এইচ-ওয়ানবি কর্মীদের ৬০ দিনের সুযোগ বাতিলের উদ্যোগও সেই বৃহত্তর নীতির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে প্রস্তাবটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ৬০ দিনের সুযোগ পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে, নাকি বিশেষ পরিস্থিতিতে সীমিত সময় বা প্রশাসনিক ছাড় রাখার ব্যবস্থা থাকবে—চূড়ান্ত বিধি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তা পরিষ্কার নয়।
আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ একেবারে বন্ধ করে দিলে দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ ও ধরে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে কর্মী পরিবর্তনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং প্রকল্পভিত্তিক নিয়োগের সঙ্গে এমন কঠোর অভিবাসন বিধির সংঘাত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই প্রস্তাবটি শুধু ভিসার একটি নিয়ম পরিবর্তনের বিষয় নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার, প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক দক্ষ জনবলের প্রবাহ এবং দেশটির অভিবাসন নীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার সঙ্গেও যুক্ত। এখন নজর থাকবে ডিএইচএসের চূড়ান্ত প্রস্তাব এবং পরবর্তী জনমত গ্রহণ প্রক্রিয়ার দিকে।
2.png)