খেলা
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব দলের প্রস্তুতিতে যোগ হলো নতুন মুখ। যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে চলমান ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফুটবলার অ্যাডাম আব্বাস। আক্রমণভাগে খেলতে অভ্যস্ত এই ফুটবলারকে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড লাইনের জন্য বিবেচনা করছেন কোচিং স্টাফ।
বাংলাদেশের জাতীয় দলে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার খেলছেন। বয়সভিত্তিক দলেও প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তির ধারাবাহিকতায় এবার ক্যাম্পে জায়গা করে নিয়েছেন অ্যাডাম।
ফুটবলের হাতেখড়ি ইংল্যান্ডের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে। সেখানে প্রায় চার বছর অনুশীলন ও বেড়ে ওঠার পর তিনি বার্নলির অনূর্ধ্ব-১৮ দলে যোগ দেন। তবে চোটের কারণে বার্নলির সঙ্গে তাঁর চুক্তি আর নবায়ন করা হয়নি।
পারিবারিকভাবেও বাংলাদেশের সঙ্গে অ্যাডামের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর নানা-নানি বাংলাদেশি। মা ব্রিটিশ নাগরিক এবং বাবা জ্যামাইকান। বাবার দিকের শারীরিক বৈশিষ্ট্য অ্যাডামের গড়নেও স্পষ্ট, যা ফুটবলে তাঁর শক্তি ও শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
আক্রমণভাগে অ্যাডামের প্রধান বৈশিষ্ট্য শুধু গোল করার সামর্থ্য নয়। সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার দক্ষতাও রয়েছে তাঁর। ফলে ফরোয়ার্ড পজিশনে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে দেখছে বাংলাদেশের যুব দলের কোচিং স্টাফ।
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের আগে ক্যাম্পে তাঁর পারফরম্যান্স এখন নজরে থাকবে। প্রস্তুতিতে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে বাংলাদেশের যুব দলের আক্রমণভাগে অ্যাডাম আব্বাস হয়ে উঠতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
বিষয় : বাফুফে এডাম আব্বাস
2.png)
রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব দলের প্রস্তুতিতে যোগ হলো নতুন মুখ। যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে চলমান ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ফুটবলার অ্যাডাম আব্বাস। আক্রমণভাগে খেলতে অভ্যস্ত এই ফুটবলারকে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড লাইনের জন্য বিবেচনা করছেন কোচিং স্টাফ।
বাংলাদেশের জাতীয় দলে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার খেলছেন। বয়সভিত্তিক দলেও প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তির ধারাবাহিকতায় এবার ক্যাম্পে জায়গা করে নিয়েছেন অ্যাডাম।
ফুটবলের হাতেখড়ি ইংল্যান্ডের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে। সেখানে প্রায় চার বছর অনুশীলন ও বেড়ে ওঠার পর তিনি বার্নলির অনূর্ধ্ব-১৮ দলে যোগ দেন। তবে চোটের কারণে বার্নলির সঙ্গে তাঁর চুক্তি আর নবায়ন করা হয়নি।
পারিবারিকভাবেও বাংলাদেশের সঙ্গে অ্যাডামের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর নানা-নানি বাংলাদেশি। মা ব্রিটিশ নাগরিক এবং বাবা জ্যামাইকান। বাবার দিকের শারীরিক বৈশিষ্ট্য অ্যাডামের গড়নেও স্পষ্ট, যা ফুটবলে তাঁর শক্তি ও শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
আক্রমণভাগে অ্যাডামের প্রধান বৈশিষ্ট্য শুধু গোল করার সামর্থ্য নয়। সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার দক্ষতাও রয়েছে তাঁর। ফলে ফরোয়ার্ড পজিশনে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে দেখছে বাংলাদেশের যুব দলের কোচিং স্টাফ।
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের আগে ক্যাম্পে তাঁর পারফরম্যান্স এখন নজরে থাকবে। প্রস্তুতিতে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে বাংলাদেশের যুব দলের আক্রমণভাগে অ্যাডাম আব্বাস হয়ে উঠতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
2.png)