আন্তর্জাতিক
ভারতে তরুণদের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ শুধু একটি পরীক্ষাব্যবস্থার সংকটকে সামনে আনেনি, দেশটির রাজনীতিতেও নতুন বার্তা দিয়েছে। পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের মতে, এই আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার আগের তুলনায় রাজনৈতিকভাবে দুর্বল অবস্থানে পড়েছে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে জুন ও জুলাইয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেন তরুণেরা। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে দিল্লিতে অনশনে বসেছিলেন ওয়াংচুক। তাঁর কর্মসূচি আন্দোলনকে আরও গতি দেয়।
শেষ পর্যন্ত তরুণদের ধারাবাহিক বিক্ষোভের মুখে ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় সংস্কারের কথাও জানায় সরকার।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, এই আন্দোলনের পর ভারতের জনমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। তাঁর ভাষায়, তরুণেরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তারা বুঝতে শুরু করেছে, অন্যায় বা নিজেদের অপছন্দের কোনো বিষয় নীরবে মেনে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
৫৯ বছর বয়সী এই শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানীর মতে, তরুণদের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো নিজেদের শক্তি সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি। তারা এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে, সম্মিলিতভাবে দাঁড়ালে পরিস্থিতি পরিবর্তন করা সম্ভব।
দিল্লির তীব্র গরমের মধ্যে জুন ও জুলাইয়ে টানা ২৬ দিন অনশন করেন ওয়াংচুক। ওই সময়ে তিনি শুধু পানি ও লবণ গ্রহণ করেন। তাঁর দাবি, অনশনের কারণে প্রায় ১১ কেজি ওজন কমে যায়। পরে অবশ্য ছয় কেজি ওজন ফিরে পেয়েছেন তিনি।
একপর্যায়ে দিল্লি পুলিশ তাঁকে অনশনস্থল থেকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওয়াংচুক জানান, হাসপাতালে থাকার শেষ ছয় দিন তাঁর কাছে এমন মনে হয়েছিল যে তিনি চিকিৎসাকেন্দ্রে নয়, যেন কারাগারে রয়েছেন।
তাঁকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাই আন্দোলনে নতুন গতি আনে। বিক্ষোভ আরও বিস্তৃত হয়ে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সরকারবিরোধী তরুণ আন্দোলনে রূপ নেয়।
২৩ জুলাই মধ্যরাতের পর ওয়াংচুক অনশন ভাঙেন। এর পরদিনই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা আসে। আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবির মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও ছিল।
ওয়াংচুকের বিশ্লেষণে, প্রশ্নপত্র ফাঁস ভারতের শিক্ষা খাতের বড় একটি সমস্যার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা, পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সংকট।
গত ২৫ বছর ধরে ভারতে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পেলেই চাকরির নিশ্চয়তা মিলছে না। বরং শিক্ষার সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার দূরত্ব দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।
ওয়াংচুক মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন।
তাঁর মতে, ভারতের বর্তমান নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষার বড় অংশই বহু নির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউনির্ভর। এর একটি প্রধান কারণ হলো অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া। কিন্তু এ ধরনের পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, বাস্তব সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা কিংবা কোনো বিষয় সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়া যথাযথভাবে যাচাই করা কঠিন।
এর প্রভাব পড়ে শ্রেণিকক্ষেও। পরীক্ষায় যে ধরনের প্রশ্ন আসে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে সেই পরীক্ষার প্রস্তুতিকেই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। ফলে শেখার বদলে পরীক্ষায় ভালো করার প্রবণতা বাড়ে।
ওয়াংচুকের প্রস্তাব হলো, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং স্বাভাবিক যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। এতে শুধু পরীক্ষার ধরন বদলাবে না, স্কুলের পাঠদানের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আসবে।
তাঁর যুক্তি, শিক্ষার্থীদের যদি বাস্তব জীবনের সমস্যা মোকাবিলা করতে শেখানো হয়, তাহলে তারা কর্মক্ষেত্রের জন্যও বেশি প্রস্তুত হবে। একই সঙ্গে যেসব খাতে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে, সেসব খাতেও উপযুক্ত কর্মী তৈরি করা সম্ভব হবে।
ভারতের সরকার অবশ্য কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন আশঙ্কাকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করে আসছে। কিন্তু ওয়াংচুকের বক্তব্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে বিদ্যমান ফাঁককে উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাটি আরও জটিল হতে পারে।
এই জায়গাতেই সাম্প্রতিক তরুণ আন্দোলনের রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো একটি নির্দিষ্ট দাবি থেকে শুরু হলেও আন্দোলনটি শেষ পর্যন্ত শিক্ষা, চাকরি, জবাবদিহি এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে এনেছে।
ওয়াংচুকের মতে, আগামী ১৫ বছরে ভারত ও বিশ্ব কোন দিকে যাবে, তা এখন থেকেই বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা নীতি তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের জন্য আজকের শিক্ষাব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত, সেটিই নির্ধারণ করবে আগামী প্রজন্মের কর্মসংস্থানের বাস্তবতা।
সাম্প্রতিক আন্দোলনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন সম্ভবত এখানেই—ভারতের তরুণেরা শুধু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়, তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় হতে চাইছে।
বিষয় : ভারত সোনম ওয়াংচুক নরেন্দ্র মোদি
2.png)
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
ভারতে তরুণদের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ শুধু একটি পরীক্ষাব্যবস্থার সংকটকে সামনে আনেনি, দেশটির রাজনীতিতেও নতুন বার্তা দিয়েছে। পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের মতে, এই আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার আগের তুলনায় রাজনৈতিকভাবে দুর্বল অবস্থানে পড়েছে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে জুন ও জুলাইয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেন তরুণেরা। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে দিল্লিতে অনশনে বসেছিলেন ওয়াংচুক। তাঁর কর্মসূচি আন্দোলনকে আরও গতি দেয়।
শেষ পর্যন্ত তরুণদের ধারাবাহিক বিক্ষোভের মুখে ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচারে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় সংস্কারের কথাও জানায় সরকার।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, এই আন্দোলনের পর ভারতের জনমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। তাঁর ভাষায়, তরুণেরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তারা বুঝতে শুরু করেছে, অন্যায় বা নিজেদের অপছন্দের কোনো বিষয় নীরবে মেনে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
৫৯ বছর বয়সী এই শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানীর মতে, তরুণদের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো নিজেদের শক্তি সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি। তারা এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে, সম্মিলিতভাবে দাঁড়ালে পরিস্থিতি পরিবর্তন করা সম্ভব।
দিল্লির তীব্র গরমের মধ্যে জুন ও জুলাইয়ে টানা ২৬ দিন অনশন করেন ওয়াংচুক। ওই সময়ে তিনি শুধু পানি ও লবণ গ্রহণ করেন। তাঁর দাবি, অনশনের কারণে প্রায় ১১ কেজি ওজন কমে যায়। পরে অবশ্য ছয় কেজি ওজন ফিরে পেয়েছেন তিনি।
একপর্যায়ে দিল্লি পুলিশ তাঁকে অনশনস্থল থেকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওয়াংচুক জানান, হাসপাতালে থাকার শেষ ছয় দিন তাঁর কাছে এমন মনে হয়েছিল যে তিনি চিকিৎসাকেন্দ্রে নয়, যেন কারাগারে রয়েছেন।
তাঁকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাই আন্দোলনে নতুন গতি আনে। বিক্ষোভ আরও বিস্তৃত হয়ে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সরকারবিরোধী তরুণ আন্দোলনে রূপ নেয়।
২৩ জুলাই মধ্যরাতের পর ওয়াংচুক অনশন ভাঙেন। এর পরদিনই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণা আসে। আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবির মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও ছিল।
ওয়াংচুকের বিশ্লেষণে, প্রশ্নপত্র ফাঁস ভারতের শিক্ষা খাতের বড় একটি সমস্যার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা, পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সংকট।
গত ২৫ বছর ধরে ভারতে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পেলেই চাকরির নিশ্চয়তা মিলছে না। বরং শিক্ষার সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার দূরত্ব দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।
ওয়াংচুক মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন।
তাঁর মতে, ভারতের বর্তমান নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষার বড় অংশই বহু নির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউনির্ভর। এর একটি প্রধান কারণ হলো অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া। কিন্তু এ ধরনের পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, বাস্তব সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা কিংবা কোনো বিষয় সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়া যথাযথভাবে যাচাই করা কঠিন।
এর প্রভাব পড়ে শ্রেণিকক্ষেও। পরীক্ষায় যে ধরনের প্রশ্ন আসে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে সেই পরীক্ষার প্রস্তুতিকেই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে। ফলে শেখার বদলে পরীক্ষায় ভালো করার প্রবণতা বাড়ে।
ওয়াংচুকের প্রস্তাব হলো, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং স্বাভাবিক যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। এতে শুধু পরীক্ষার ধরন বদলাবে না, স্কুলের পাঠদানের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আসবে।
তাঁর যুক্তি, শিক্ষার্থীদের যদি বাস্তব জীবনের সমস্যা মোকাবিলা করতে শেখানো হয়, তাহলে তারা কর্মক্ষেত্রের জন্যও বেশি প্রস্তুত হবে। একই সঙ্গে যেসব খাতে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে, সেসব খাতেও উপযুক্ত কর্মী তৈরি করা সম্ভব হবে।
ভারতের সরকার অবশ্য কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন আশঙ্কাকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করে আসছে। কিন্তু ওয়াংচুকের বক্তব্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে বিদ্যমান ফাঁককে উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাটি আরও জটিল হতে পারে।
এই জায়গাতেই সাম্প্রতিক তরুণ আন্দোলনের রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো একটি নির্দিষ্ট দাবি থেকে শুরু হলেও আন্দোলনটি শেষ পর্যন্ত শিক্ষা, চাকরি, জবাবদিহি এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে এনেছে।
ওয়াংচুকের মতে, আগামী ১৫ বছরে ভারত ও বিশ্ব কোন দিকে যাবে, তা এখন থেকেই বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা নীতি তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের জন্য আজকের শিক্ষাব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত, সেটিই নির্ধারণ করবে আগামী প্রজন্মের কর্মসংস্থানের বাস্তবতা।
সাম্প্রতিক আন্দোলনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন সম্ভবত এখানেই—ভারতের তরুণেরা শুধু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়, তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় হতে চাইছে।
2.png)