জাতীয়
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে ধারাবাহিক কূটনৈতিক আলোচনার ফলেই এ সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, আলোচনার মাধ্যমে এগোনোর কারণেই মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জটিল এই সংকটের সমাধানে সংঘাত নয়, বরং সতর্ক ও বিচক্ষণ কূটনীতিই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
তবে একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে কঠোর বার্তাও দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই জনসমাগমস্থল বা সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা মেনে নেওয়া হবে না।
মালয়েশিয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শককে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তায় তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। তাই মিয়ানমারের এই সম্মতির বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা এখন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
বিষয় : মিয়ানমার রোহিঙ্গা আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়া
2.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে ধারাবাহিক কূটনৈতিক আলোচনার ফলেই এ সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, আলোচনার মাধ্যমে এগোনোর কারণেই মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জটিল এই সংকটের সমাধানে সংঘাত নয়, বরং সতর্ক ও বিচক্ষণ কূটনীতিই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
তবে একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে কঠোর বার্তাও দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই জনসমাগমস্থল বা সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা মেনে নেওয়া হবে না।
মালয়েশিয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শককে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তায় তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। তাই মিয়ানমারের এই সম্মতির বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা এখন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
2.png)