বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি
মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. লামীয়া মওলা। মহাবিশ্বের অপার রহস্য ভেদ করতে গিয়ে তিনি খুঁজে পেয়েছেন নতুন এক শিশু গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের লেন্সের মাধ্যমে ধরা পড়া এই ছায়াপথটির তিনি নাম দিয়েছেন ‘ফায়ারফ্লাই স্পার্কল’, বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘জোনাকির আলো’।
এই গ্যালাক্সিটির বৈশিষ্ট্য একেবারেই অনন্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি দেখতে অবিকল আমাদের নিজস্ব ছায়াপথ মিল্কিওয়ের শৈশবকালের মতো। অনেকটা মানুষের ছোটবেলার ছবির মতো, যা বিগ ব্যাং বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির একদম শুরুর সময়ের চিত্রপট স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে। এই আবিষ্কার মহাবিশ্বের গঠনপ্রক্রিয়া ও বিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ড. লামীয়া মওলা বাংলাদেশের জন্য এক বড় গর্বের নাম। তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন আমেরিকার বিখ্যাত ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকেই অর্জন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি আমেরিকার ওয়েলেসলি কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি গবেষণায় নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া হাতেগোনা ভাগ্যবান বিজ্ঞানীদের একজন তিনি।
তার এই গবেষণায় বিজ্ঞানীদের মহাকাশ নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ড. লামীয়া যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন, তা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার হাত ধরে মহাবিশ্বের আদিম রূপ ও ইতিহাস জানার পথ আরও সুগম হলো।
বিষয় : ফায়ারফ্লাই স্পার্কল লামিয়া মওলা
2.png)
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. লামীয়া মওলা। মহাবিশ্বের অপার রহস্য ভেদ করতে গিয়ে তিনি খুঁজে পেয়েছেন নতুন এক শিশু গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের লেন্সের মাধ্যমে ধরা পড়া এই ছায়াপথটির তিনি নাম দিয়েছেন ‘ফায়ারফ্লাই স্পার্কল’, বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘জোনাকির আলো’।
এই গ্যালাক্সিটির বৈশিষ্ট্য একেবারেই অনন্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি দেখতে অবিকল আমাদের নিজস্ব ছায়াপথ মিল্কিওয়ের শৈশবকালের মতো। অনেকটা মানুষের ছোটবেলার ছবির মতো, যা বিগ ব্যাং বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির একদম শুরুর সময়ের চিত্রপট স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে। এই আবিষ্কার মহাবিশ্বের গঠনপ্রক্রিয়া ও বিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ড. লামীয়া মওলা বাংলাদেশের জন্য এক বড় গর্বের নাম। তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন আমেরিকার বিখ্যাত ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকেই অর্জন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি আমেরিকার ওয়েলেসলি কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি গবেষণায় নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া হাতেগোনা ভাগ্যবান বিজ্ঞানীদের একজন তিনি।
তার এই গবেষণায় বিজ্ঞানীদের মহাকাশ নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ড. লামীয়া যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন, তা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার হাত ধরে মহাবিশ্বের আদিম রূপ ও ইতিহাস জানার পথ আরও সুগম হলো।
2.png)