সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 জাতীয়জাতীয়

ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইকোনমিস্টের তালিকায় বসবাসের অযোগ্য শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। পরিবেশ রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর।

ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ঢাকা—এ যেন এক বড় আক্ষেপ। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ঢাকাকে পরিকল্পিতভাবে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এভাবেই নিজের উদ্বেগের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিশ্বের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা বিভাগ ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গত সোমবার বসবাসের অযোগ্য ১৭৩টি শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ঢাকার বেহাল দশার চিত্রটি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সভ্য কোনো দেশে পরিকল্পনাহীনভাবে যত্রতত্র কলকারখানা গড়ে তোলা কাম্য নয়। এমন অব্যবস্থাপনা থাকলে শহরকে কখনোই বসবাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে না।

পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবকে বড় একটি অন্তরায় হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষই পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নন। তাই কেবল সরকারি উদ্যোগে নয়, বরং প্রতিটি স্তরে পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে একটি বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে তিনি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তবে গাছ লাগানোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো গাছ লাগালেই হবে না। আমাদের মাটির গুণাগুণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে, এমন গাছই নির্বাচন করতে হবে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা তিন ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক’ দেওয়া হয়। এছাড়া বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদানের জন্য ২১ জন ব্যক্তিকেও জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় সাধারণ মানুষকেও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিষয় : তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষ মেলা

কাল মহাকাল

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ঢাকা—এ যেন এক বড় আক্ষেপ। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ঢাকাকে পরিকল্পিতভাবে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এভাবেই নিজের উদ্বেগের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিশ্বের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা বিভাগ ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গত সোমবার বসবাসের অযোগ্য ১৭৩টি শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ঢাকার বেহাল দশার চিত্রটি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সভ্য কোনো দেশে পরিকল্পনাহীনভাবে যত্রতত্র কলকারখানা গড়ে তোলা কাম্য নয়। এমন অব্যবস্থাপনা থাকলে শহরকে কখনোই বসবাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে না।

পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবকে বড় একটি অন্তরায় হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষই পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নন। তাই কেবল সরকারি উদ্যোগে নয়, বরং প্রতিটি স্তরে পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে একটি বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে তিনি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তবে গাছ লাগানোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো গাছ লাগালেই হবে না। আমাদের মাটির গুণাগুণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে, এমন গাছই নির্বাচন করতে হবে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা তিন ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক’ দেওয়া হয়। এছাড়া বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদানের জন্য ২১ জন ব্যক্তিকেও জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় সাধারণ মানুষকেও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত