লোকাল ফোকাস
টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধসে পড়লে ঘটনাস্থলেই ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার ভেতরে থাকা ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে।
পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ও স্থাপনাগুলোতে ভারী বৃষ্টির কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। বর্তমানে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছেন। মাটির নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকার আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনের অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি প্রবল হয়ে উঠেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসে ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল।
বিষয় : রোহিঙ্গা ক্যাম্প পাহাড়ধ্বস
2.png)
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধসে পড়লে ঘটনাস্থলেই ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার ভেতরে থাকা ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে।
পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ও স্থাপনাগুলোতে ভারী বৃষ্টির কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। বর্তমানে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছেন। মাটির নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকার আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনের অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি প্রবল হয়ে উঠেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসে ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল।
2.png)