সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 খেলাখেলা

জিম্বাবুয়েতে হার, র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছলে গেল বাংলাদেশ

হারারে টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়ের পর আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ নিচে নামল শান্তর দল। পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে আবারও সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে পাকিস্তান।

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
জিম্বাবুয়েতে হার, র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছলে গেল বাংলাদেশ
ছবি -সংগৃহীত

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে যে সাত নম্বর অবস্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ, তা স্থায়ী হলো না এক মাসও। জিম্বাবুয়ের কাছে হারারে টেস্টে বড় ব্যবধানে হেরে টাইগারদের নেমে যেতে হলো অষ্টম স্থানে। এই পরাজয়ের ফলে পাকিস্তান আবার সুযোগ পেয়েছে র‍্যাঙ্কিংয়ের সপ্তম স্থানটি পুনরুদ্ধার করার।

হারারেতে পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও বাংলাদেশ পুরো ম্যাচেই ছিল ছন্দহীন। নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পর ম্যাচে কোণঠাসা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। এর জবাবে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে চালকের আসনে বসে। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেও শান্তর দলের টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় ১৮৫ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। সব মিলিয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংস ব্যবধানে হারের ঘটনা বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা ঘটল দীর্ঘ ২৫ বছর পর। ২০০১ সালে দুই দলের প্রথম টেস্ট সাক্ষাতে একইভাবে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

এই পরাজয়ের প্রভাব সরাসরি পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে। সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের সংগ্রহে ছিল ৭৮ রেটিং পয়েন্ট, যা পরাজয়ের পর ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭৩-এ। অন্যদিকে ৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান এক ধাপ এগিয়ে আবারও সপ্তম স্থানে অবস্থান করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অর্জিত সম্মান ধরে রাখতে ব্যর্থ হলো টাইগাররা।

বিষয় : বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের কাছে হার

কাল মহাকাল

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


জিম্বাবুয়েতে হার, র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছলে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে যে সাত নম্বর অবস্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ, তা স্থায়ী হলো না এক মাসও। জিম্বাবুয়ের কাছে হারারে টেস্টে বড় ব্যবধানে হেরে টাইগারদের নেমে যেতে হলো অষ্টম স্থানে। এই পরাজয়ের ফলে পাকিস্তান আবার সুযোগ পেয়েছে র‍্যাঙ্কিংয়ের সপ্তম স্থানটি পুনরুদ্ধার করার।

হারারেতে পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও বাংলাদেশ পুরো ম্যাচেই ছিল ছন্দহীন। নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পর ম্যাচে কোণঠাসা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। এর জবাবে জিম্বাবুয়ে ৪১০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে চালকের আসনে বসে। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেও শান্তর দলের টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় ১৮৫ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। সব মিলিয়ে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংস ব্যবধানে হারের ঘটনা বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা ঘটল দীর্ঘ ২৫ বছর পর। ২০০১ সালে দুই দলের প্রথম টেস্ট সাক্ষাতে একইভাবে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

এই পরাজয়ের প্রভাব সরাসরি পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে। সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের সংগ্রহে ছিল ৭৮ রেটিং পয়েন্ট, যা পরাজয়ের পর ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭৩-এ। অন্যদিকে ৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান এক ধাপ এগিয়ে আবারও সপ্তম স্থানে অবস্থান করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অর্জিত সম্মান ধরে রাখতে ব্যর্থ হলো টাইগাররা।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত