সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

  বানিজ্য বানিজ্য

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা ফেরতের রোডম্যাপ প্রকাশ; মে মাস পর্যন্ত পাচারকারী ও লুটেরাদের ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
ছবি -সংগৃহীত

ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বহুল আলোচিত ১৮(ক) ধারাটি পুরোপুরি বিলোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে তীব্র তারল্য সংকটে পড়া একীভূত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জমানো টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট পথনকশাও (রোডম্যাপ) প্রকাশ করেছেন তিনি।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার সময় অর্থমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো জানান। অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “বিভিন্ন অংশীজনের মতামত ও আপত্তির ওপর ভিত্তি করেই ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন, ২০২৬–এর বিতর্কিত ১৮(ক) ধারাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের বার্তা একদম পরিষ্কার—যাঁরা জনগণের আমানত ও সম্পদ লুটপাট করেছেন, তাঁদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে সাধারণ আমানতকারীদের জমানো টাকার শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”

নেপথ্যের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করে বিএনপি সরকার। তবে আইনটি সংসদে পাস করার ঠিক আগমুহূর্তে সেখানে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। ওই বিতর্কিত ধারায় বলা ছিল—কোনো ব্যাংক দেউলিয়া বা রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা ওই ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরবর্তীতে আবারও সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় বুঝে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো ব্যক্তিকেও এই বিশেষ সুযোগ দিতে পারত। এই ধারাটি যুক্ত হওয়ার পর সংসদ ও সংসদের বাইরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরাসরি অভিযোগ তোলা হয় যে, এস আলমসহ দেশ ছেড়ে পালানো বিতর্কিত ও লুটেরা ব্যবসায়ীদের হাতে আবারও ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতেই ব্যাকডোর দিয়ে এই কালো আইনটি আনা হয়েছিল।

টাকা তুলতে পারবেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা

একীভূত হওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের (যা বর্তমানে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক) সাধারণ গ্রাহকদের টাকা তোলার নিয়ম স্পষ্ট করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাঁদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে এককালীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। হিসাবের বাকি টাকা ধাপে ধাপে একটি নিয়মের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। তবে ক্যানসার আক্রান্ত ও কিডনি ডায়ালাইসিস করা জরুরি রোগী, হজের উদ্দেশ্যে টাকা জমানো সঞ্চয়কারী এবং ডিপিএস গ্রাহকদের জন্য বিশেষ মানবিক ও শিথিল সুবিধা রাখা হয়েছে।

শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে একগুচ্ছ সংশোধনী

পুঁজিবাজারে স্থবিরতা কাটাতে এবং বিনিয়োগকারীদের টানতে অর্থবিলে বড় ধরনের কিছু পরিবর্তনের কথা জানান অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে—জিরো কুপন বন্ড থেকে আসা আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত করা, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য বিশেষ করছাড়, ব্যাংকিং চ্যানেলে সব ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা কোম্পানিকে অতিরিক্ত করসুবিধা দেওয়া এবং লভ্যাংশের (ডিভিডেন্ড) ওপর করের হার কমানো। এ ছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডে কর রেয়াত পাওয়ার জন্য এত দিন যে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ছিল, তা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

৭২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

অর্থমন্ত্রী তাঁর সমাপনী বক্তৃতায় দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারের চিত্র তুলে ধরে দাবি করেন, গত মে মাস পর্যন্ত ১১টি উচ্চ-অগ্রাধিকার মামলার ভিত্তিতে দেশে এবং বিদেশে থাকা বড় বড় লুটেরাদের প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৩টি দেশে ২৩টি ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট’ (MLAR) পাঠানো হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি বড় ৬টি ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা শুরুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার দেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যার প্রমাণ হিসেবে আগামী অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা গতবারের চেয়ে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন খাতের বাজেট বাড়ানো হচ্ছে।

দেশের বর্তমান প্রধান সমস্যা মূল্যস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমানো হয়েছে। ব্যবসা সহজ করতে আইনি জটিলতা বা ডিরেগুলেশন, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা জারি থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে এই লড়াইকে সরকার শুধু অর্থনৈতিক কাজ নয়, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বাঁচানোর একটি সামাজিক দায়িত্ব মনে করে। পরিশেষে তিনি স্বীকার করেন, একটি বাজেটের আসল সাফল্য এর চটকদার ঘোষণায় নয়, বরং শতভাগ বাস্তবায়নে নিহিত। তাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহি ও সরকারি কাজের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হবে।

বিষয় : ইসলামী ব্যাংক ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন ১৮(ক) ধারা

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বহুল আলোচিত ১৮(ক) ধারাটি পুরোপুরি বিলোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে তীব্র তারল্য সংকটে পড়া একীভূত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জমানো টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট পথনকশাও (রোডম্যাপ) প্রকাশ করেছেন তিনি।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার সময় অর্থমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো জানান। অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “বিভিন্ন অংশীজনের মতামত ও আপত্তির ওপর ভিত্তি করেই ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন, ২০২৬–এর বিতর্কিত ১৮(ক) ধারাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের বার্তা একদম পরিষ্কার—যাঁরা জনগণের আমানত ও সম্পদ লুটপাট করেছেন, তাঁদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে সাধারণ আমানতকারীদের জমানো টাকার শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”

নেপথ্যের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করে বিএনপি সরকার। তবে আইনটি সংসদে পাস করার ঠিক আগমুহূর্তে সেখানে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। ওই বিতর্কিত ধারায় বলা ছিল—কোনো ব্যাংক দেউলিয়া বা রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা ওই ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরবর্তীতে আবারও সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় বুঝে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো ব্যক্তিকেও এই বিশেষ সুযোগ দিতে পারত। এই ধারাটি যুক্ত হওয়ার পর সংসদ ও সংসদের বাইরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরাসরি অভিযোগ তোলা হয় যে, এস আলমসহ দেশ ছেড়ে পালানো বিতর্কিত ও লুটেরা ব্যবসায়ীদের হাতে আবারও ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতেই ব্যাকডোর দিয়ে এই কালো আইনটি আনা হয়েছিল।

টাকা তুলতে পারবেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা

একীভূত হওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের (যা বর্তমানে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক) সাধারণ গ্রাহকদের টাকা তোলার নিয়ম স্পষ্ট করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাঁদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে এককালীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। হিসাবের বাকি টাকা ধাপে ধাপে একটি নিয়মের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। তবে ক্যানসার আক্রান্ত ও কিডনি ডায়ালাইসিস করা জরুরি রোগী, হজের উদ্দেশ্যে টাকা জমানো সঞ্চয়কারী এবং ডিপিএস গ্রাহকদের জন্য বিশেষ মানবিক ও শিথিল সুবিধা রাখা হয়েছে।

শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে একগুচ্ছ সংশোধনী

পুঁজিবাজারে স্থবিরতা কাটাতে এবং বিনিয়োগকারীদের টানতে অর্থবিলে বড় ধরনের কিছু পরিবর্তনের কথা জানান অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে—জিরো কুপন বন্ড থেকে আসা আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত করা, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য বিশেষ করছাড়, ব্যাংকিং চ্যানেলে সব ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা কোম্পানিকে অতিরিক্ত করসুবিধা দেওয়া এবং লভ্যাংশের (ডিভিডেন্ড) ওপর করের হার কমানো। এ ছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডে কর রেয়াত পাওয়ার জন্য এত দিন যে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ছিল, তা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

৭২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

অর্থমন্ত্রী তাঁর সমাপনী বক্তৃতায় দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারের চিত্র তুলে ধরে দাবি করেন, গত মে মাস পর্যন্ত ১১টি উচ্চ-অগ্রাধিকার মামলার ভিত্তিতে দেশে এবং বিদেশে থাকা বড় বড় লুটেরাদের প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৩টি দেশে ২৩টি ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট’ (MLAR) পাঠানো হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি বড় ৬টি ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা শুরুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার দেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যার প্রমাণ হিসেবে আগামী অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা গতবারের চেয়ে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন খাতের বাজেট বাড়ানো হচ্ছে।

দেশের বর্তমান প্রধান সমস্যা মূল্যস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমানো হয়েছে। ব্যবসা সহজ করতে আইনি জটিলতা বা ডিরেগুলেশন, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা জারি থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে এই লড়াইকে সরকার শুধু অর্থনৈতিক কাজ নয়, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বাঁচানোর একটি সামাজিক দায়িত্ব মনে করে। পরিশেষে তিনি স্বীকার করেন, একটি বাজেটের আসল সাফল্য এর চটকদার ঘোষণায় নয়, বরং শতভাগ বাস্তবায়নে নিহিত। তাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহি ও সরকারি কাজের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হবে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত