আন্তর্জাতিক
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী।
দুই দেশের প্রতিনিধিদলের পরিচয় পর্ব এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। এ সময় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে তোপধ্বনি দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তার প্রথম বিদেশ সফর শুরু হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল মালয়েশিয়ায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর। মালয়েশিয়ার কর্মসূচি শেষ করে গত সোমবার রাতে তিনি চীনের দালিয়ান পৌঁছান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর বুধবার বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে পৌঁছান তিনি।
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এ ছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন নানা বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে কথা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য এই গ্রেট হল নতুন কোনো জায়গা নয়। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফরে এসেছিলেন। সেই সময়ও এই গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীর লালগালিচা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তবে আড়াই দশক পর এবার তিনি এসেছেন সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে, যা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী।
দুই দেশের প্রতিনিধিদলের পরিচয় পর্ব এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। এ সময় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে তোপধ্বনি দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তার প্রথম বিদেশ সফর শুরু হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল মালয়েশিয়ায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর। মালয়েশিয়ার কর্মসূচি শেষ করে গত সোমবার রাতে তিনি চীনের দালিয়ান পৌঁছান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর বুধবার বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে পৌঁছান তিনি।
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এ ছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন নানা বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে কথা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য এই গ্রেট হল নতুন কোনো জায়গা নয়। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফরে এসেছিলেন। সেই সময়ও এই গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীর লালগালিচা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তবে আড়াই দশক পর এবার তিনি এসেছেন সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে, যা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
2.png)