আন্তর্জাতিক
জাপানের ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণাঞ্চলে ৫.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৫.৫ হলেও জাপানি ভূমিকম্প পরিমাপক স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ‘শিনদো ৫-’ (Lower 5)।
জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে। তীব্রতা ‘৫-’ হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই মাত্রার কম্পনে বহুতল ভবনে থাকা মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন; এছাড়া ঘরের তাকের জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, ঝুলন্ত বাতি বা আসবাবপত্র দুলতে থাকার মতো ঘটনা ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের পরপরই ওই অঞ্চলে অবস্থানরত বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা মাথায় রেখে সবাইকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশনাবলী মেনে চলার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
2.png)
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণাঞ্চলে ৫.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৫.৫ হলেও জাপানি ভূমিকম্প পরিমাপক স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ‘শিনদো ৫-’ (Lower 5)।
জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে। তীব্রতা ‘৫-’ হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই মাত্রার কম্পনে বহুতল ভবনে থাকা মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন; এছাড়া ঘরের তাকের জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, ঝুলন্ত বাতি বা আসবাবপত্র দুলতে থাকার মতো ঘটনা ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের পরপরই ওই অঞ্চলে অবস্থানরত বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা মাথায় রেখে সবাইকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশনাবলী মেনে চলার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
2.png)