আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির রেশ কাটতে না কাটতেই ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেইনস শহরে শুরু হয়েছে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ইউক্রেন ও লেবাননের সংঘাত অবসানের লক্ষ্য নিয়ে সম্মেলনে অংশ নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূ-রাজনৈতিক পদক্ষেপে বিশ্বনেতাদের মাঝে একদিকে যেমন স্বস্তি, অন্যদিকে বড় ধরনের উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।
সোমবার সম্মেলনে যোগ দিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ট্রাম্প ইরানের সাথে হওয়া প্রাথমিক চুক্তিকে এক ‘নতুন অধ্যায়ের সূচনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এই চুক্তির ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে এবং অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে। ট্রাম্প জানান, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত হওয়ার পথে, যেখানে ফ্রান্সের মতো দেশগুলো শান্তি রক্ষার কাজে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই স্বস্তির বিপরীতে সম্মেলনে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিবেশও বিরাজ করছে। ফ্রান্সের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক আরোপের হুমকি, ন্যাটোর সামরিক কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন এবং অভিবাসন সংক্রান্ত ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান জোটের মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে আগে থেকে পরামর্শ না করায় ম্যাক্রোঁসহ ইউরোপীয় নেতাদের সাথে মার্কিন প্রশাসনের এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।
সম্মেলনের অন্যতম বড় এজেন্ডা এখন ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, জেলেনস্কি ও পুতিনের সাথে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং শান্তি আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় সূত্রের তথ্যমতে, জেলেনস্কি একটি যৌথ বৈঠকের প্রস্তাব দিলেও পুতিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তা সফল হওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
বুধবার পর্যন্ত চলমান এই সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য ফেরানো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিয়ন্ত্রণ এবং বিরল খনিজ উপাদানের বাজারে চীনের একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। বিশ্বনেতারা যুদ্ধের প্রভাব কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরির চেষ্টা করবেন।
2.png)
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির রেশ কাটতে না কাটতেই ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেইনস শহরে শুরু হয়েছে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ইউক্রেন ও লেবাননের সংঘাত অবসানের লক্ষ্য নিয়ে সম্মেলনে অংশ নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূ-রাজনৈতিক পদক্ষেপে বিশ্বনেতাদের মাঝে একদিকে যেমন স্বস্তি, অন্যদিকে বড় ধরনের উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।
সোমবার সম্মেলনে যোগ দিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ট্রাম্প ইরানের সাথে হওয়া প্রাথমিক চুক্তিকে এক ‘নতুন অধ্যায়ের সূচনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এই চুক্তির ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে এবং অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে। ট্রাম্প জানান, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত হওয়ার পথে, যেখানে ফ্রান্সের মতো দেশগুলো শান্তি রক্ষার কাজে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই স্বস্তির বিপরীতে সম্মেলনে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিবেশও বিরাজ করছে। ফ্রান্সের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক আরোপের হুমকি, ন্যাটোর সামরিক কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন এবং অভিবাসন সংক্রান্ত ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান জোটের মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে আগে থেকে পরামর্শ না করায় ম্যাক্রোঁসহ ইউরোপীয় নেতাদের সাথে মার্কিন প্রশাসনের এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।
সম্মেলনের অন্যতম বড় এজেন্ডা এখন ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, জেলেনস্কি ও পুতিনের সাথে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং শান্তি আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় সূত্রের তথ্যমতে, জেলেনস্কি একটি যৌথ বৈঠকের প্রস্তাব দিলেও পুতিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তা সফল হওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
বুধবার পর্যন্ত চলমান এই সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য ফেরানো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিয়ন্ত্রণ এবং বিরল খনিজ উপাদানের বাজারে চীনের একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। বিশ্বনেতারা যুদ্ধের প্রভাব কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরির চেষ্টা করবেন।
2.png)