জাতীয়
শনিবার ‘সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা ভারত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ভারত সীমান্ত নিয়ে যে আধিপত্যবাদী আচরণ করছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তারা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ভারত যদি পুশ ইন করতেই চায়, তবে শেখ হাসিনাসহ তার দলের নেতাকর্মীদের বাংলাদেশে পাঠাক—‘দেখি আপনাদের কত সাহস।’
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের আয়োজনে এই বৈঠকে বক্তারা ভারতের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ ও আধিপত্যবাদের অভিযোগ তোলেন। প্রধান বক্তা ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেন, ভারত নিজেকে গণতান্ত্রিক দাবি করলেও মূলত তারা একটি আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ভারত যদি সীমান্ত দিয়ে মানুষ পাঠাতেই চায়, তবে তারা শেখ হাসিনাকে কেন বাংলাদেশে পুশ ইন করছে না? ভারতের উচিত হাসিনার মতো অন্যদেরও পুশ ইন করে তাদের সাহসের পরিচয় দেওয়া।
গোলটেবিল বৈঠকে সম্প্রতি ভারতীয় হাই কমিশনারের দেওয়া জনসংখ্যার সমন্বয় সংক্রান্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ভারতের হাই কমিশনার যে মন্তব্য করেছেন, তার ব্যাখ্যা তাকেই দিতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং এখানে কোনো আধিপত্যবাদী বন্ধুর স্থান নেই। তারা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ কারো অঙ্গরাজ্য নয় এবং এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবমাননা করা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা পুশ ইন ঠেকাতে দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীকে এক কাতারে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সীমান্তে বিজিবির অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই সংকটে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি তাদের আধিপত্যবাদী আচরণ থেকে সরে না আসে, তবে দেশের মানুষ বসে থাকবে না। প্রয়োজনে জনগণ নিজেরা অস্ত্র হাতে সীমান্ত পাহারা দেবে। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল বলেন, ভারত অতীতে শোষণের উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশের পাশে ছিল, এখন তারা পুনরায় তাবেদারি সরকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে, যা কোনোদিন সফল হবে না।
সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। তিনি তার সমাপনী বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে বলেন, বাপের বেটা হয়ে থাকলে এবং বুকের পাটা থাকলে হাসিনা ও তার নেতাকর্মীদের পুশ ইন করুন। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না এবং যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হবে। গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেন।
2.png)
রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
শনিবার ‘সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা ভারত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ভারত সীমান্ত নিয়ে যে আধিপত্যবাদী আচরণ করছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তারা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ভারত যদি পুশ ইন করতেই চায়, তবে শেখ হাসিনাসহ তার দলের নেতাকর্মীদের বাংলাদেশে পাঠাক—‘দেখি আপনাদের কত সাহস।’
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের আয়োজনে এই বৈঠকে বক্তারা ভারতের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ ও আধিপত্যবাদের অভিযোগ তোলেন। প্রধান বক্তা ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেন, ভারত নিজেকে গণতান্ত্রিক দাবি করলেও মূলত তারা একটি আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ভারত যদি সীমান্ত দিয়ে মানুষ পাঠাতেই চায়, তবে তারা শেখ হাসিনাকে কেন বাংলাদেশে পুশ ইন করছে না? ভারতের উচিত হাসিনার মতো অন্যদেরও পুশ ইন করে তাদের সাহসের পরিচয় দেওয়া।
গোলটেবিল বৈঠকে সম্প্রতি ভারতীয় হাই কমিশনারের দেওয়া জনসংখ্যার সমন্বয় সংক্রান্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ভারতের হাই কমিশনার যে মন্তব্য করেছেন, তার ব্যাখ্যা তাকেই দিতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং এখানে কোনো আধিপত্যবাদী বন্ধুর স্থান নেই। তারা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ কারো অঙ্গরাজ্য নয় এবং এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবমাননা করা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা পুশ ইন ঠেকাতে দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীকে এক কাতারে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সীমান্তে বিজিবির অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই সংকটে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি তাদের আধিপত্যবাদী আচরণ থেকে সরে না আসে, তবে দেশের মানুষ বসে থাকবে না। প্রয়োজনে জনগণ নিজেরা অস্ত্র হাতে সীমান্ত পাহারা দেবে। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল বলেন, ভারত অতীতে শোষণের উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশের পাশে ছিল, এখন তারা পুনরায় তাবেদারি সরকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে, যা কোনোদিন সফল হবে না।
সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। তিনি তার সমাপনী বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে বলেন, বাপের বেটা হয়ে থাকলে এবং বুকের পাটা থাকলে হাসিনা ও তার নেতাকর্মীদের পুশ ইন করুন। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না এবং যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হবে। গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেন।
2.png)