খেলা
মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য শতকে ভর করে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ। তবে পাহাড়সম এই পুঁজি নিয়েও দিন শেষে খুব একটা স্বস্তিতে নেই টাইগাররা। দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারী পাকিস্তান ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তুলে বেশ ভালোভাবেই ম্যাচে টিকে আছে। বোলারদের এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে ড্রেসিংরুমের হতাশা লুকিয়ে রাখেননি জাতীয় দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে সালাউদ্দিন সরাসরিই জানিয়ে দিয়েছেন, বোলাররা আজ লাইন ও লেংথ বজায় রেখে বল করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটের মেজাজ অনুযায়ী ব্যাটারদের ওপর যে চাপ সৃষ্টি করার প্রয়োজন ছিল, সেটি করতে না পারায় পাকিস্তান দ্রুত রান তোলার সুযোগ পেয়েছে। তাঁর মতে, স্কোরবোর্ডে ৪০০ রান উঠলেও আরও ৫০টি রান যোগ করতে পারলে পরিস্থিতি হয়তো অন্যরকম হতে পারত। সালাউদ্দিন স্পষ্ট করে বলেন, "টেস্ট ক্রিকেটে বাজে বল করলে ব্যাটিং খুব সহজ হয়ে যায়; আমরা আজ সঠিক চ্যানেলে বল করতে পারিনি"।
বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিং নিয়েও আক্ষেপের সুর ছিল কোচের কণ্ঠে। পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি ক্যাচ হাতছাড়া করা যেন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের জন্য। ইমাম উল হক ২৩ রানে এবং আব্দুল্লাহ ফজল ২৮ রানে জীবন পাওয়ার ঘটনাটি দলের ফিল্ডিং দৈন্যতাকে আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে স্লিপ ফিল্ডিংয়ের মান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, এই জায়গাটিতে উন্নতির কোনো বিকল্প নেই।
তবে এক সেশন খারাপ গেলেও এখনও জয়ের স্বপ্ন দেখছেন সালাউদ্দিন। মিরপুরের উইকেটে পেসারদের জন্য এখনও অনেক রসদ বাকি আছে বলে মনে করেন তিনি। অভিজ্ঞ পেস আক্রমণ দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামানো সম্ভব—এমনটাই বিশ্বাস তাঁর। এখন দেখার বিষয়, কোচের এই সতর্কবার্তায় তৃতীয় দিন সকালে টাইগার পেসাররা কতোটা বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারেন।
বিষয় : মিরপুর টেস্ট হতাশ কোচ সালাউদ্দিন

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য শতকে ভর করে ৪১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ। তবে পাহাড়সম এই পুঁজি নিয়েও দিন শেষে খুব একটা স্বস্তিতে নেই টাইগাররা। দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারী পাকিস্তান ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তুলে বেশ ভালোভাবেই ম্যাচে টিকে আছে। বোলারদের এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে ড্রেসিংরুমের হতাশা লুকিয়ে রাখেননি জাতীয় দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে সালাউদ্দিন সরাসরিই জানিয়ে দিয়েছেন, বোলাররা আজ লাইন ও লেংথ বজায় রেখে বল করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটের মেজাজ অনুযায়ী ব্যাটারদের ওপর যে চাপ সৃষ্টি করার প্রয়োজন ছিল, সেটি করতে না পারায় পাকিস্তান দ্রুত রান তোলার সুযোগ পেয়েছে। তাঁর মতে, স্কোরবোর্ডে ৪০০ রান উঠলেও আরও ৫০টি রান যোগ করতে পারলে পরিস্থিতি হয়তো অন্যরকম হতে পারত। সালাউদ্দিন স্পষ্ট করে বলেন, "টেস্ট ক্রিকেটে বাজে বল করলে ব্যাটিং খুব সহজ হয়ে যায়; আমরা আজ সঠিক চ্যানেলে বল করতে পারিনি"।
বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিং নিয়েও আক্ষেপের সুর ছিল কোচের কণ্ঠে। পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি ক্যাচ হাতছাড়া করা যেন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের জন্য। ইমাম উল হক ২৩ রানে এবং আব্দুল্লাহ ফজল ২৮ রানে জীবন পাওয়ার ঘটনাটি দলের ফিল্ডিং দৈন্যতাকে আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে স্লিপ ফিল্ডিংয়ের মান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, এই জায়গাটিতে উন্নতির কোনো বিকল্প নেই।
তবে এক সেশন খারাপ গেলেও এখনও জয়ের স্বপ্ন দেখছেন সালাউদ্দিন। মিরপুরের উইকেটে পেসারদের জন্য এখনও অনেক রসদ বাকি আছে বলে মনে করেন তিনি। অভিজ্ঞ পেস আক্রমণ দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামানো সম্ভব—এমনটাই বিশ্বাস তাঁর। এখন দেখার বিষয়, কোচের এই সতর্কবার্তায় তৃতীয় দিন সকালে টাইগার পেসাররা কতোটা বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারেন।
