জাতীয়
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় যেন উন্মোচিত হলো আজ। পারস্পরিক সহযোগিতার হাতকে আরও প্রসারিত করতে এক টেবিলে বসেছিলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব। আজ শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এক নতুন রূপরেখা উঠে এসেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আলোচনায় কেবল আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টি পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। দুই মন্ত্রীই সম্পর্কের বর্তমান গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য, ব্যবসা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষা এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের মতো আধুনিক খাতগুলোতে যে বিপুল সম্ভাবনা এখনও পড়ে আছে, সেগুলোকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।
বৈঠকের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল আঞ্চলিক রাজনীতির প্রসঙ্গ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনড় অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সত্যি বলতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের সম্মিলিত স্বার্থে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আজ দুই পক্ষের আলাপচারিতাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের বন্ধন গভীর করতে পারলে এই সম্পর্ক আরও টেকসই হবে বলে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে।
বিষয় : বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্ক ২০২৬ শামা ওবায়েদ ইসলাম মহসিন নাকভি সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ ইসলামাবাদ বাণিজ্য সহযোগিতা আঞ্চলিক সংযোগ দক্ষিণ এশিয়া।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় যেন উন্মোচিত হলো আজ। পারস্পরিক সহযোগিতার হাতকে আরও প্রসারিত করতে এক টেবিলে বসেছিলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব। আজ শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এক নতুন রূপরেখা উঠে এসেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আলোচনায় কেবল আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টি পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। দুই মন্ত্রীই সম্পর্কের বর্তমান গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য, ব্যবসা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষা এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের মতো আধুনিক খাতগুলোতে যে বিপুল সম্ভাবনা এখনও পড়ে আছে, সেগুলোকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।
বৈঠকের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল আঞ্চলিক রাজনীতির প্রসঙ্গ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনড় অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সত্যি বলতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের সম্মিলিত স্বার্থে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আজ দুই পক্ষের আলাপচারিতাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের বন্ধন গভীর করতে পারলে এই সম্পর্ক আরও টেকসই হবে বলে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে।
2.png)