সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 জাতীয়জাতীয়

পুলিশকে আরও মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ পুলিশকে জনবান্ধব ও আধুনিক শক্তিতে রূপান্তরের তাগিদ দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন; সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ।

পুলিশকে আরও মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ছবি -সংগৃহীত

রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের অবিরাম যাত্রায় বাংলাদেশ পুলিশের সততা ও পেশাদারিত্বকে অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে অভিহিত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে পুলিশকে আরও মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময় অকুতোভয় আত্মদানকারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান তাঁর বাণীতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা কতটা অপরিহার্য। বিশেষ করে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ পুলিশ যে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে, তার জন্য তিনি বাহিনীর সদস্যদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতির মতে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জানমালের সুরক্ষায় পুলিশের ওপর জনগণের নির্ভরতা অনস্বীকার্য।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অপরাধের ধরণে যে আমূল পরিবর্তন আসছে, সে বিষয়েও পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান যুগে সাইবার অপরাধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ‘ডিপফেক প্রযুক্তি’ ব্যবহার করে বহুমাত্রিক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এই আধুনিক ও জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পুলিশ বাহিনীকে উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং যুগোপযোগী করে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

একই সঙ্গে বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবাধিকার রক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বিশ্বাস করেন, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার এবং সেবামুখী মনোভাবের মাধ্যমেই পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার আস্থা ও সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় হবে। সরকার পুলিশ বাহিনীকে একটি প্রকৃত জনবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে তিনি তাঁর বাণীতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিষয় : মানবিক পুলিশ রাষ্ট্রপতি

কাল মহাকাল

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


পুলিশকে আরও মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের অবিরাম যাত্রায় বাংলাদেশ পুলিশের সততা ও পেশাদারিত্বকে অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে অভিহিত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে পুলিশকে আরও মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময় অকুতোভয় আত্মদানকারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

রাষ্ট্রপ্রধান তাঁর বাণীতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা কতটা অপরিহার্য। বিশেষ করে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ পুলিশ যে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে, তার জন্য তিনি বাহিনীর সদস্যদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতির মতে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জানমালের সুরক্ষায় পুলিশের ওপর জনগণের নির্ভরতা অনস্বীকার্য।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অপরাধের ধরণে যে আমূল পরিবর্তন আসছে, সে বিষয়েও পুলিশ সদস্যদের সতর্ক করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান যুগে সাইবার অপরাধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ‘ডিপফেক প্রযুক্তি’ ব্যবহার করে বহুমাত্রিক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এই আধুনিক ও জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পুলিশ বাহিনীকে উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং যুগোপযোগী করে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

একই সঙ্গে বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবাধিকার রক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বিশ্বাস করেন, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার এবং সেবামুখী মনোভাবের মাধ্যমেই পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার আস্থা ও সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় হবে। সরকার পুলিশ বাহিনীকে একটি প্রকৃত জনবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে তিনি তাঁর বাণীতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত