জাতীয়
চলতি আগস্টেই বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। পদত্যাগ করা মো. সাহাবুদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নামটি স্পষ্ট হতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা হবে। ওই দিনই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দার নাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে ভোটের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ আগস্ট। তবে একাধিক প্রার্থী না থাকলে সেদিন ভোটের প্রয়োজন হবে না। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে যদি একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ থাকে, তাঁকেই নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
রাষ্ট্রপতি পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ হলেও এই পদে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত কিছু যোগ্যতা পূরণের পাশাপাশি একজন সংসদ সদস্যকে প্রার্থীটির মনোনয়ন দিতে হয়। আর বাস্তবে কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, সেটি অনেকটাই নির্ভর করে সংসদে কোন রাজনৈতিক দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ—তার ওপর।
বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটি যাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবে, তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে মূল রাজনৈতিক আগ্রহ এখন বিএনপির সিদ্ধান্তকে ঘিরে।
সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে। তাঁকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে অতীতে সংবিধানের অধীনে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকলে তিনি আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না।
সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতার ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত ব্যক্তি, দেউলিয়া হয়ে দায়মুক্ত না হওয়া ব্যক্তি কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ বা আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগের পর পাঁচ বছর না পেরোলেও সংসদ সদস্য হওয়া যায় না।
এ ছাড়া ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশে দণ্ডিত ব্যক্তি, লাভজনক সরকারি পদে থাকা ব্যক্তি এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত ব্যক্তিও সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান। ফলে এসব অযোগ্যতা থাকলে রাষ্ট্রপতি পদেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা থাকলেই কোনো ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় প্রার্থী হতে পারবেন না। ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, যোগ্য কোনো ব্যক্তির মনোনয়নপত্র একজন সংসদ সদস্যকে দাখিল করতে হয়।
এ ক্ষেত্রে একজন সংসদ সদস্য প্রস্তাবক হিসেবে মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করবেন। আরেকজন সংসদ সদস্যকে থাকতে হবে সমর্থক হিসেবে। পাশাপাশি যাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে, তাঁর সম্মতিও লিখিতভাবে থাকতে হবে।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যক্তির যোগ্যতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সমর্থনও অপরিহার্য। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অবস্থান তাই এ নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের নিয়মিত অধিবেশন চলতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংসদ অধিবেশনের বাইরে নির্বাচন প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের দিন নির্ধারণ করতে পারে।
ভোটের দিন সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করা হয়। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত বিশেষ বৈঠক।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জনগণ সরাসরি ভোট দেন না। ভোট দেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। প্রত্যেক সংসদ সদস্যের ভোট একটি।
ভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যালট পেপার প্রস্তুত করে। ব্যালটের এক অংশে ভোটারের পরিচয় ও স্বাক্ষরের ব্যবস্থা থাকে। অন্য অংশে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম নির্ধারিত ক্রমে ছাপা থাকে। সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয় সংসদকক্ষেই।
বাংলাদেশের অতীত রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদে ক্ষমতাসীন দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী না দেওয়ার নজির রয়েছে। কারণ, ভোটে জয়ের সম্ভাবনা না থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত থাকে তারা।
এবার সংসদে বিএনপির বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিপরীতে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) আরও কয়েকটি দল। তারা রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেবে কি না, সেটিও এখন আলোচনার বিষয়।
তবে শেষ পর্যন্ত যদি একজনের মনোনয়ন বৈধ থাকে, তাহলে ২০ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে একমাত্র বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারবেন নির্বাচন কমিশনার। একইভাবে একাধিক প্রার্থী থাকলেও পরে অন্যরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে একক প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট ২০ আগস্ট নির্ধারিত হলেও বাস্তবে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানা যেতে পারে তার চার দিন আগেই—১৬ আগস্ট। আর তারও আগে ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমার দিনই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে, কে উঠছেন বঙ্গভবনে।
বিষয় : ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
2.png)
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
চলতি আগস্টেই বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। পদত্যাগ করা মো. সাহাবুদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নামটি স্পষ্ট হতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা হবে। ওই দিনই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দার নাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে ভোটের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ আগস্ট। তবে একাধিক প্রার্থী না থাকলে সেদিন ভোটের প্রয়োজন হবে না। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে যদি একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ থাকে, তাঁকেই নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
রাষ্ট্রপতি পদটি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ হলেও এই পদে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত কিছু যোগ্যতা পূরণের পাশাপাশি একজন সংসদ সদস্যকে প্রার্থীটির মনোনয়ন দিতে হয়। আর বাস্তবে কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, সেটি অনেকটাই নির্ভর করে সংসদে কোন রাজনৈতিক দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ—তার ওপর।
বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটি যাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবে, তাঁর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে মূল রাজনৈতিক আগ্রহ এখন বিএনপির সিদ্ধান্তকে ঘিরে।
সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি হওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে। তাঁকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে অতীতে সংবিধানের অধীনে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকলে তিনি আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না।
সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতার ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত ব্যক্তি, দেউলিয়া হয়ে দায়মুক্ত না হওয়া ব্যক্তি কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ বা আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগের পর পাঁচ বছর না পেরোলেও সংসদ সদস্য হওয়া যায় না।
এ ছাড়া ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশে দণ্ডিত ব্যক্তি, লাভজনক সরকারি পদে থাকা ব্যক্তি এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত ব্যক্তিও সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান। ফলে এসব অযোগ্যতা থাকলে রাষ্ট্রপতি পদেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা থাকলেই কোনো ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় প্রার্থী হতে পারবেন না। ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, যোগ্য কোনো ব্যক্তির মনোনয়নপত্র একজন সংসদ সদস্যকে দাখিল করতে হয়।
এ ক্ষেত্রে একজন সংসদ সদস্য প্রস্তাবক হিসেবে মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করবেন। আরেকজন সংসদ সদস্যকে থাকতে হবে সমর্থক হিসেবে। পাশাপাশি যাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে, তাঁর সম্মতিও লিখিতভাবে থাকতে হবে।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যক্তির যোগ্যতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সমর্থনও অপরিহার্য। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অবস্থান তাই এ নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের নিয়মিত অধিবেশন চলতেই হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংসদ অধিবেশনের বাইরে নির্বাচন প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের দিন নির্ধারণ করতে পারে।
ভোটের দিন সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করা হয়। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত বিশেষ বৈঠক।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জনগণ সরাসরি ভোট দেন না। ভোট দেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। প্রত্যেক সংসদ সদস্যের ভোট একটি।
ভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যালট পেপার প্রস্তুত করে। ব্যালটের এক অংশে ভোটারের পরিচয় ও স্বাক্ষরের ব্যবস্থা থাকে। অন্য অংশে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম নির্ধারিত ক্রমে ছাপা থাকে। সংসদ সদস্য নিজের পূর্ণ নাম ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয় সংসদকক্ষেই।
বাংলাদেশের অতীত রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদে ক্ষমতাসীন দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী না দেওয়ার নজির রয়েছে। কারণ, ভোটে জয়ের সম্ভাবনা না থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত থাকে তারা।
এবার সংসদে বিএনপির বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিপরীতে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) আরও কয়েকটি দল। তারা রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেবে কি না, সেটিও এখন আলোচনার বিষয়।
তবে শেষ পর্যন্ত যদি একজনের মনোনয়ন বৈধ থাকে, তাহলে ২০ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে একমাত্র বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারবেন নির্বাচন কমিশনার। একইভাবে একাধিক প্রার্থী থাকলেও পরে অন্যরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে একক প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট ২০ আগস্ট নির্ধারিত হলেও বাস্তবে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানা যেতে পারে তার চার দিন আগেই—১৬ আগস্ট। আর তারও আগে ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমার দিনই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে, কে উঠছেন বঙ্গভবনে।
2.png)