সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

দিল্লি রণক্ষেত্র, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট

নিট ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সিজেপির ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’। ১৪৪ ধারা ও ব্যারিকেড অমান্য করে এগোতে গেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ইন্টারনেটও সাময়িকভাবে বন্ধ।

দিল্লি রণক্ষেত্র, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট
ছবি -সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ ঘিরে সোমবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ রাজপথে নেমে এলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানেগ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। এতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।


মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করে সিজেপি।


সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভকারীরা দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পথে বসানো একাধিক নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভাঙার উদ্যোগ নেন। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন।


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীও মোতায়েন করা হয় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সরকারি স্থাপনার আশপাশে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর সিজেপি নেতৃত্ব সমর্থকদের উদ্দেশে জরুরি বার্তা প্রকাশ করে। দলটি সবাইকে শান্ত ও অহিংস থাকার আহ্বান জানিয়ে জানায়, বিভিন্ন স্থানে বাধার মুখে পড়লেও যেন কেউ উত্তেজিত না হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়, শান্তি ও ভালোবাসার পথেই আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

এর আগে রোববার দিল্লি পুলিশ ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’-এর অনুমতি বাতিল করে। একই সঙ্গে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় দিল্লি পুলিশ জানায়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া রাজধানীর অন্য কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি নেই। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি নাগরিকদের আইন মেনে চলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

বিষয় : ককরোচ জনতা পার্টি' দিল্লি নিট পরীক্ষা

কাল মহাকাল

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


দিল্লি রণক্ষেত্র, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ ঘিরে সোমবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ রাজপথে নেমে এলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানেগ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। এতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।


মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করে সিজেপি।


সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভকারীরা দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পথে বসানো একাধিক নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভাঙার উদ্যোগ নেন। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন।


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীও মোতায়েন করা হয় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সরকারি স্থাপনার আশপাশে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর সিজেপি নেতৃত্ব সমর্থকদের উদ্দেশে জরুরি বার্তা প্রকাশ করে। দলটি সবাইকে শান্ত ও অহিংস থাকার আহ্বান জানিয়ে জানায়, বিভিন্ন স্থানে বাধার মুখে পড়লেও যেন কেউ উত্তেজিত না হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়, শান্তি ও ভালোবাসার পথেই আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

এর আগে রোববার দিল্লি পুলিশ ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’-এর অনুমতি বাতিল করে। একই সঙ্গে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় দিল্লি পুলিশ জানায়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া রাজধানীর অন্য কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি নেই। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি নাগরিকদের আইন মেনে চলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত