সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 বিশ্বকাপ দামামাবিশ্বকাপ দামামা

নিষ্প্রভ মেসিদের হারিয়ে ইয়ামালদের বিশ্বকাপ জয়

অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতল স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও ফুটবলের বিশ্বসিংহাসনে ফিরল লা রোহা।

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
নিষ্প্রভ মেসিদের হারিয়ে ইয়ামালদের বিশ্বকাপ জয়
ছবি -সংগৃহীত

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর এক ফাইনালের শেষ হাসি হাসল স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল না হলেও অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় লা রোহা। এর মধ্য দিয়ে ফুটবল বিশ্ব পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন, আর লিওনেল মেসির আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।


শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল, পাসের গতি আর আক্রমণের ধার—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক অসাধারণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। ৯৪ মিনিট পর্যন্ত তিনি ১০টি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে স্পেনকে হতাশ করে রাখেন।

তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যোগ করা সময়ে। অতিরিক্ত সময় শুরুর আগে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। সংখ্যাগত এই সুবিধা কাজে লাগাতে সময় নেয়নি স্পেন।

অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান ফেরান তোরেস। সেই এক গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। এর আগে ৯৬ মিনিটে উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও গোলরক্ষকের ওপর ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়। পরে ১১৩ মিনিটে তোরেস আবারও গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটিও গণনা হয়নি।

পুরো ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা বলের দখল ধরে রেখে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা ছিল অনেকটাই রক্ষণাত্মক। বলের দখল ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ। প্রথমার্ধে তারা গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি, যা বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো মঞ্চে ছিল বিরল দৃশ্য।


শেষ পর্যন্ত স্পেনের ধৈর্য, নিখুঁত পরিকল্পনা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলই পার্থক্য গড়ে দেয়। মার্তিনেজ শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও সতীর্থদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাননি। আর শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মেটলাইফ স্টেডিয়াম রাঙিয়ে ওঠে লাল-হলুদের উল্লাসে। ২০২৬ বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি এবার উঠল স্পেনের হাতেই।

বিষয় : ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ স্পেন চ্যাম্পিয়ন

কাল মহাকাল

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


নিষ্প্রভ মেসিদের হারিয়ে ইয়ামালদের বিশ্বকাপ জয়

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর এক ফাইনালের শেষ হাসি হাসল স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল না হলেও অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় লা রোহা। এর মধ্য দিয়ে ফুটবল বিশ্ব পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন, আর লিওনেল মেসির আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।


শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল, পাসের গতি আর আক্রমণের ধার—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক অসাধারণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। ৯৪ মিনিট পর্যন্ত তিনি ১০টি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে স্পেনকে হতাশ করে রাখেন।

তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যোগ করা সময়ে। অতিরিক্ত সময় শুরুর আগে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। সংখ্যাগত এই সুবিধা কাজে লাগাতে সময় নেয়নি স্পেন।

অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান ফেরান তোরেস। সেই এক গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। এর আগে ৯৬ মিনিটে উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও গোলরক্ষকের ওপর ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়। পরে ১১৩ মিনিটে তোরেস আবারও গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটিও গণনা হয়নি।

পুরো ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা বলের দখল ধরে রেখে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা ছিল অনেকটাই রক্ষণাত্মক। বলের দখল ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ। প্রথমার্ধে তারা গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি, যা বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো মঞ্চে ছিল বিরল দৃশ্য।


শেষ পর্যন্ত স্পেনের ধৈর্য, নিখুঁত পরিকল্পনা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলই পার্থক্য গড়ে দেয়। মার্তিনেজ শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও সতীর্থদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাননি। আর শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মেটলাইফ স্টেডিয়াম রাঙিয়ে ওঠে লাল-হলুদের উল্লাসে। ২০২৬ বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি এবার উঠল স্পেনের হাতেই।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত