জাতীয়
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর পেশাদারত্ব ও জবাবদিহিতা বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেছেন, মোবাইল জার্নালিজমের আড়ালে কোনো ধরনের অনৈতিক বা অপেশাদার কর্মকাণ্ড সরকার বরদাশত করবে না।
সংসদে তথ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন এই সংশোধনী প্রস্তাবনায় সাংবাদিকদের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আইনজীবীদের ‘বার কাউন্সিল’-এর আদলে সাংবাদিকদের নিবন্ধনের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি পাস হলে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশে আর্থিক জরিমানাসহ কঠোর বিধান যুক্ত হবে। এছাড়া গুজব, উসকানিমূলক বা জাতীয় স্বার্থবিরোধী সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি সুযোগ রাখা হয়েছে।
নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সম্প্রচার ও ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের নীতিমালা পর্যালোচনার কাজ চলছে। এছাড়া পডকাস্ট, ব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও আধুনিক নীতিমালার দিকে যাচ্ছে সরকার। তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মোট নিবন্ধিত পত্রিকার সংখ্যা ৩ হাজার ৩৩৮টি। এর মধ্যে দৈনিক ১ হাজার ৪৩৬টি এবং সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৩১টি পত্রিকা রয়েছে। বাকিগুলো পাক্ষিক বা মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়।
সংসদের একই অধিবেশনে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির দেশের শিল্পখাতের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পর্যন্ত ৮৪টি শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়েছে। এসব শিল্পনগরীর ১৩ হাজার ৩৬৪টি প্লটের মধ্যে ১১ হাজার ৬৮৭টি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৩৫৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সফলভাবে চালু হয়েছে, যেখানে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
বিষয় : তথ্যমন্ত্রী মোবাইল জার্নালিজম
2.png)
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর পেশাদারত্ব ও জবাবদিহিতা বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেছেন, মোবাইল জার্নালিজমের আড়ালে কোনো ধরনের অনৈতিক বা অপেশাদার কর্মকাণ্ড সরকার বরদাশত করবে না।
সংসদে তথ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন এই সংশোধনী প্রস্তাবনায় সাংবাদিকদের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আইনজীবীদের ‘বার কাউন্সিল’-এর আদলে সাংবাদিকদের নিবন্ধনের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি পাস হলে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশে আর্থিক জরিমানাসহ কঠোর বিধান যুক্ত হবে। এছাড়া গুজব, উসকানিমূলক বা জাতীয় স্বার্থবিরোধী সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি সুযোগ রাখা হয়েছে।
নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সম্প্রচার ও ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের নীতিমালা পর্যালোচনার কাজ চলছে। এছাড়া পডকাস্ট, ব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও আধুনিক নীতিমালার দিকে যাচ্ছে সরকার। তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মোট নিবন্ধিত পত্রিকার সংখ্যা ৩ হাজার ৩৩৮টি। এর মধ্যে দৈনিক ১ হাজার ৪৩৬টি এবং সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৩১টি পত্রিকা রয়েছে। বাকিগুলো পাক্ষিক বা মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়।
সংসদের একই অধিবেশনে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির দেশের শিল্পখাতের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পর্যন্ত ৮৪টি শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়েছে। এসব শিল্পনগরীর ১৩ হাজার ৩৬৪টি প্লটের মধ্যে ১১ হাজার ৬৮৭টি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৩৫৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সফলভাবে চালু হয়েছে, যেখানে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
2.png)